করোনার ধাক্কা কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে আবারও বাড়ছে মানুষের গড় আয়ু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাস মহামারির ভয়াবহ ধাক্কা কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু আবারও বাড়তে শুরু করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ

2026-10-03T15:25:44+06:00
2026-10-03T15:25:44+06:00
রোববার ● ৪ অক্টোবর ২০২৬,
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
স্বাস্থ্য
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে আবারও বাড়ছে মানুষের গড় আয়ু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৫ পিএম 
⏲
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাস মহামারির ভয়াবহ ধাক্কা কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু আবারও বাড়তে শুরু করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ ‘গ্লোবাল হেলথ এস্টিমেটস’ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মহামারির কারণে মানুষের গড় আয়ুতে যে ধস নেমেছিল, তা কাটিয়ে বিশ্বব্যাপী গড় আয়ু প্রায় মহামারিপূর্ব অবস্থায় ফিরে এসেছে।

২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মৃত্যুর তথ্য, জাতীয় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন এবং জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি হিসাব বিশ্লেষণ করে এই গবেষণা তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিশ্বে মানুষের গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৩ বছর, যা ২০১৯ সালে মহামারির আগে ছিল ৭৩ দশমিক ৪ বছর। অর্থাৎ মহামারিপূর্ব সময়ের চেয়ে গড় আয়ু মাত্র শূন্য দশমিক ১ বছর পিছিয়ে রয়েছে।

তবে সুস্থ অবস্থায় বেঁচে থাকার সময় বা ‘হেলদি লাইফ এক্সপেক্টেন্সি’ পুনরুদ্ধারের গতি কিছুটা ধীর। ২০২৩ সালে মানুষ গড়ে ৬২ দশমিক ৮ বছর সুস্থ অবস্থায় বেঁচেছে, যা ২০১৯ সালের তুলনায় শূন্য দশমিক ৪ বছর কম।

এ বিষয়ে ডব্লিউএইচওর ডেটা, ডিজিটাল হেলথ, অ্যানালিটিকস ও এআই বিভাগের পরিচালক ড. অ্যালাঁ ল্যাব্রিক বলেন, দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় অর্জন। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হলো মানুষের জীবনে যুক্ত হওয়া অতিরিক্ত বছরগুলো যেন সুস্থভাবে কাটে। একই সঙ্গে জনসংখ্যার পরিবর্তিত চাহিদা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যব্যবস্থাগুলোও যেন প্রস্তুত থাকে।

ডব্লিউএইচওর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো নিম্নআয়ের দেশগুলোতে সংক্রামক রোগে মোট মৃত্যুর হার অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। বিশ্বজুড়ে ২০২৩ সালে মোট মৃত্যুর ৭৪ শতাংশের জন্যই দায়ী ছিল অসংক্রামক রোগ (এনসিডি), যা ২০০০ সালে ছিল ৫৮ শতাংশ। বর্তমানে বিশ্বে মৃত্যুর প্রধান ১০টি কারণের মধ্যে আটটিই অসংক্রামক ব্যাধি।

বিশ্বে এখনো মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদরোগ। কেবল ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ বা হৃদযন্ত্রে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে ২০২৩ সালে বিশ্বে আনুমানিক ৯৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে এর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।

অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি রোগ হিসেবে ডিমেনশিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ২০০০ সালে বিশ্বে মৃত্যুর ১৯তম প্রধান কারণ থাকা ডিমেনশিয়া ২০২৩ সালে ৫ম স্থানে উঠে এসেছে। এ সময়ে রোগটিতে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ডায়াবেটিসে মৃত্যুর ঝুঁকি এবং বৈশ্বিকভাবে বিষণ্নতা ও উদ্বেগজনিত মানসিক রোগের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ড. ল্যাব্রিক আরও উল্লেখ করেন, এসব হিসাবের মূল্য শুধু সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সময়ে মৃত্যুর কারণ এবং রোগের বোঝা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা তুলে ধরার মাধ্যমে এসব তথ্য দেশগুলোকে স্বাস্থ্যনীতি ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সরবরাহ করে।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

ব্র্যাকের পর এবার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক মিথিলা
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের বারসহ রাজধানীর ৪ বারে অভিযান
চোরাই গরু দিয়ে বৌভাতের আয়োজন
টোকিওতে কেন বাড়ছে যৌন পর্যটন?
ভাঙা প্রেম ও মলিন সম্পর্ককে সুখী করবেন যেভাবে

সর্বাধিক পঠিত 

খাবার টেবিলে ওয়ান টাইম প্লেট নামক বিষ
তেঁতুলিয়ায় বাল্যবিবাহ, কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
লক্ষীচাপে মাদকবিরোধী বার্তা নিয়ে যুব সমাজের ফুটবল টুর্নামেন্ট
সিডিএমএসের তথ্য মুছে শীর্ষ সন্ত্রাসীকে দায়মুক্তির চেষ্টা
নদীর বুকে নৌকার লড়াই, কালীগঙ্গার দুই পাড়ে মানুষের ঢল
স্বাস্থ্য- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]