২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ

দেশবার্তা প্রতিবেদক

জাতীয়

বাংলাদেশ আর কেবল দাতা-গ্রহীতার সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং দেশটিকে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে ইউরোপীয়

2026-10-04T16:20:25+06:00
2026-10-04T16:20:25+06:00
সোমবার ● ৫ অক্টোবর ২০২৬,
২০ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
জাতীয়
ইইউ রাষ্ট্রদূত
২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২০ পিএম 
⏲
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ আর কেবল দাতা-গ্রহীতার সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং দেশটিকে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। 

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’ এর দ্বিতীয় দিনের কর্ম-অধিবেশনে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে মাইকেল মিলার বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়া, বঙ্গোপসাগর এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের গুরুত্ব অসীম। দেশটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গতিশীল অর্থনীতির একটি এবং সম্ভাবনা রয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যেই বিশ্বের শীর্ষ ৩০টি অর্থনীতির তালিকায় স্থান করে নেওয়ার।’

বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়ন অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই পর্বের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ, রাজনৈতিক রূপান্তর, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক ঝুঁকির মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইইউ রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট করেন, ‘এভরিথিং বাট আর্মস’ বাণিজ্য অগ্রাধিকার সুবিধার মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রগতিতে ইইউর অংশীদারিত্ব থাকলেও এখন আর সেই পুরোনো সম্পর্কে আটকে থাকা সম্ভব নয়। ইইউ এখন বাংলাদেশের সঙ্গে আরও উচ্চাভিলাষী সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পুরোপুরি শেষ করেনি-এমন কোনো দেশকে ইইউর পক্ষ থেকে এ ধরনের বাণিজ্য প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ ও ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, ভূ-রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের চাপ সামাল দিতে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ও স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা অপরিহার্য।

গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত মিলার জানান, সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা এখনো সম্পন্ন হয়নি। এই সংস্কার কার্যক্রমকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
মেসির সহায়তায় বছরে ৪০০ শিশু পাবে ক্যানসারের চিকিৎসা
শারীরিক অবস্থার উন্নতি, শুটিংয়ে ফিরতে চান তানিয়া বৃষ্টি
শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হরমুজ: ইরান

সর্বাধিক পঠিত 

খাবার টেবিলে ওয়ান টাইম প্লেট নামক বিষ
সিডিএমএসের তথ্য মুছে শীর্ষ সন্ত্রাসীকে দায়মুক্তির চেষ্টা
নদীর বুকে নৌকার লড়াই, কালীগঙ্গার দুই পাড়ে মানুষের ঢল
স্মৃতি কথা: আমাল ছে বান্তি হায় জিন্দেগি-০৪
মারামারি ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত
জাতীয়- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]