টেকনাফের দুই পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

টেকনাফ প্রতিনিধি

সারাদেশ

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও অন্যান্য অপরাধ দমনে দুটি নতুন স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

2026-10-10T18:36:25+06:00
2026-10-10T18:36:25+06:00
রোববার ● ১১ অক্টোবর ২০২৬,
২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
সারাদেশ
টেকনাফের দুই পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত
টেকনাফ প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম 
⏲
শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি উল্লেখ করেন।
কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও অন্যান্য অপরাধ দমনে দুটি নতুন স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। উপজেলার নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে ক্যাম্প দুটি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা বন্ধে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

(১০অক্টোবর) কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, পাহাড় থেকে অপহরণকারী, মানবপাচারকারী, মাদক কারবারি ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে।

তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটে চলা অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন অঞ্চলের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।”

শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের ফলে দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধে যৌথ বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদী।

এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদারেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া মেরামত, সৌরবিদ্যুতের আলো স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং কন্ট্রোল টাওয়ার ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ।

এলাকার সাধারণ জনগণের মতে, পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানো গেলে অপরাধীদের চলাচল ও নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ সীমিত করা সম্ভব হতে পারে। তবে এ উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে ক্যাম্প স্থাপনের পাশাপাশি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর।

দেশবার্তা/জেএ


সর্বশেষ সংবাদ 

সরকারি চাকরিজীবীদের ৪২ ধরনের ভাতা ও সুবিধা করমুক্ত
হাসিনার বিচার যদি আন্তর্জাতিক আদালতে হয়, তবে বাবুর হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিয়ে যাব: দুলু
বাসাইলে প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
ময়মনসিংহে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির কমিটির শপথ গ্রহণ
তারকাদের সংহতি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে

সর্বাধিক পঠিত 

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ
কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮১তম সভা
শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী করতে শেরপুরে এক্সপো অনুষ্ঠিত
রাজশাহীতে সাংবাদিক সাইদুর রহমানের স্মরণে নাগরিক শোকসভা
চান্দিনায় বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
সারাদেশ- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]
Advertisement