| চলমান বার্তা: |

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।
সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন, এবারের দুর্গাপূজার বিশেষত্বের মধ্যে রয়েছে পূজার ছুটি বাড়ানো, সারা দেশে মণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সরকারি বরাদ্দ বাড়ানো। পাশাপাশি সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, সরকারি দল ও বিরোধী দল উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তরিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সন্তোষ শর্মা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা কোনও নিরাপত্তার শঙ্কা দেখছি না। বাকিটা পূজার সময় দেখা যাক। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে যথেষ্ট প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং আন্তরিকতাও আছে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গত ৫৫ বছরের ইতিহাসে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সংঘটিত বিভিন্ন হামলার ঘটনায় এখনো সুষ্ঠু বিচার হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। রামু, নাসিরনগর, ২০২১ সালে কুমিল্লা ও সুনামগঞ্জের ঘটনার উল্লেখ করে তিনি এসব ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
গত ১০ অক্টোবর মহালয়া উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আগমনী বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। আগামী শনিবার (১৭ অক্টোবর) ও রবিবার (১৮ অক্টোবর) সপ্তমী, সোমবার (১৯ অক্টোবর) অষ্টমী, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী এবং বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসব। এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোড়ায় এবং বিদায় নৌকায়।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, বিজয়া দশমীতে বুধবার বিকেল ৩টা থেকে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হবে। সারা দেশে বিজয়ার শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।
দেশবার্তা/এমআর
