ফেনীর দাগনভূঞায় বটি দিয়ে কুপিয়ে সেতারা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে তার মেয়ে রিনা আক্তার রানু (৩৭)। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের পূর্ব চন্দ্রপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে রানু আক্তার অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি তার স্বামীকেও মারধর করেন। এ ঘটনার পর পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে তার মানসিক চিকিৎসাসহ বিভিন্ন চিকিৎসা চলছিল।
রোববার রাতে হঠাৎ রানু ঘরের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে তার মাকে উপর্যুপরি
কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই সেতারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং দরজা ভেতর থেকে আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সেতারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত রানুকে আটক করা হয়।
নিহত সেতারা বেগম ওই গ্রামের মৃত হোসেন আহমেদের স্ত্রী। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরন করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ ফয়জুল আজিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং ঘটনাস্থল থেকে রিনা আকতার কে আটক করেছেন বলে জানান।তবে মেয়েটির মানসিক সমস্যা থাকতে পারে বলে স্হানীয়রা জানান।
প্রতিনিধি/আরএইচ