পেন্টাগনের নীরবতা, কী ঘটেছিল ইরানের শিশুদের বিদ্যালয়ে

দেশবার্তা ডেস্ক

বিশ্ব

চলমান তদন্তের কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হামলার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে প্রমাণ ছিল

2026-07-03T17:26:40+06:00
2026-07-03T17:26:40+06:00
সোমবার ● ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
বিশ্ব
পেন্টাগনের নীরবতা, কী ঘটেছিল ইরানের শিশুদের বিদ্যালয়ে
এপির অনুসন্ধান
দেশবার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম 
ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট একই ধরনের কবর খোঁড়া হয়েছে। ছবি: এপি
চলমান তদন্তের কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হামলার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে প্রমাণ ছিল যে একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি বা পেন্টাগনের তদন্তের ফল প্রকাশ করেনি

ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। অথচ তেহরানের দাবির মুখে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছিল তারা। এখন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে মার্কিন হামলা সম্পর্কিত নতুন তথ্য। ওই হামলায় অন্তত ১২৩ শিশুসহ ১৫৭-১৬৮ জন নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার মধ্যে এটিই ছিল অন্যতম প্রাণঘাতী। আর ঘটনাটি ঘটে দেশটি আক্রান্ত হওয়ার প্রথমদিনের প্রারম্ভিক মুহূর্তে। অথচ চার মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেদিন কী ঘটেছিল— তার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

চলমান তদন্তের কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হামলার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে প্রমাণ ছিল যে একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি বা পেন্টাগনের তদন্তের ফল প্রকাশ করেনি।

প্রকাশ্য উৎসে প্রাপ্ত তথ্য, ভিডিও, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং ইরানের ভেতর ও বাইরে থাকা গবেষক ও সাধারণ মানুষের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এপি হামলার ঘটনাপ্রবাহ পুনর্গঠন করেছে। তবে পেন্টাগনের তথ্য গোপন রাখা এবং ইরানের সরকার বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করায় স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে নিহতদের পরিবার এখনো ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির অপেক্ষায় রয়েছে।

গত সপ্তাহে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি পেন্টাগনের তদন্ত প্রতিবেদন পড়েননি। এছাড়া এমন কোনো তথ্যও দেখেননি, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে হামলাটি যুক্তরাষ্ট্র চালিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘আমি জানি না তারা কখনো প্রমাণ করতে পারবে কিনা, দোষ কার ছিল। চারদিকে তখন ক্ষেপণাস্ত্র উড়ছিল। আমার মনে হয় না এটা আমরা করেছি।’


এ অনুসন্ধানে অংশ নিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তা, ইরানি মানবাধিকারকর্মী, মিনাবের এক বাসিন্দা, ইরানিয়ান টিচার্স ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয় পরিষদের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গবেষকরা।

অনেকেই নিহতদের পরিবার ও উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলেন। নিরাপত্তার কারণে অধিকাংশই নাম প্রকাশ করতে চাননি।

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মিনাব শহর, যা হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। হামলার তারিখ ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। রমজানের রৌদ্রোজ্জ্বল সেই দিনে বিদ্যালয়টি খোলা ছিল। শাজারেহ তাইয়্যেবে (ফারসি ভাষায় অর্থ ‘ভালো গাছ’) নামের স্কুলটির শিক্ষার্থীরা অন্যদিনের মতো সেদিনও সকালে ক্লাসে আসে।

minab1_ap
ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট একই ধরনের কবর খোঁড়া হয়েছে। ছবি: এপি

আন্তর্জাতিক শিক্ষক প্রতিনিধি শিভা আমেলিরাদ জানান, এ নামে ইরানে ৩০টিরও বেশি স্কুল রয়েছে। এসব স্কুল মূলত ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বা রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, এসব স্কুলে রেভল্যুশনারি গার্ডের আদর্শ বেশি গুরুত্ব পেলেও শিশুরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। তাই কোনো স্কুলে হামলা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্কুলটি একটি রেভল্যুশনারি গার্ড ঘাঁটির একই প্রাচীরঘেরা কমপাউন্ডের ভেতরে ছিল। একসময় ভবনটি ওই ঘাঁটির অংশ হলেও এক দশকেরও বেশি আগে সেটিকে আলাদা করে স্কুলে রূপান্তর করা হয়।

স্কুলটিতে শুধু গার্ড সদস্যদের সন্তান নয়, মিনাবের স্থানীয় অনেক শিশুও পড়ত। শহরটিতে প্রধানত সুন্নি বালুচ জনগোষ্ঠীর বসবাস, যারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বৈষম্যের শিকার বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা অভিযোগ করে আসছে।

বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত, তারপরই বিস্ফোরণ

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে তেহরানে বোমা হামলার খবর পৌঁছায় স্কুলে। শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন, শিশুদের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়াই নিরাপদ হবে।

তারা ল্যান্ড ফোনে অভিভাবকদের ডেকে পাঠান। লন্ডনভিত্তিক যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা এয়ারওয়ার্সের প্রতিবেদনেও এ তথ্য উঠে এসেছে।

সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দেশজুড়ে স্কুল বন্ধের ঘোষণা দেয়।

এক ব্যক্তি নিজের ১০ বছর বয়সী ছেলেকে নিতে স্কুলে আসেন। সেখানে তিনি ৬ ও ৭ বছর বয়সী দুই আত্মীয়কেও দেখতে পান। সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিলেও জানতে পারেন তাদের বাবা আসছেন। নিজের সন্তানকে নিয়ে ওই ব্যক্তি বাজারে চলে যান। মাত্র ১০ মিনিট পরই প্রবল বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন।

ধ্বংসস্তূপে ছোট্ট একটি হাত

তিনি ছুটে ফিরে এসে দেখেন চারদিকে ধ্বংসস্তূপ, আগুন আর আর্তনাদ। মানুষ খালি হাতে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ভবনের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

পরে দুটি দগ্ধ মরদেহ দেখতে পান, যেগুলো সম্ভবত তার দুই আত্মীয়ের ছিল। কিন্তু নিশ্চিত হওয়ার মতো অবস্থা ছিল না।

আরেক ব্যক্তি পাশের একটি সুন্নি গ্রাম থেকে ভাগ্নেকে খুঁজতে এসে ধ্বংসস্তূপে মৃতদেহ পান।

উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে শিশুদের ব্যাগ, আঁকার খাতা, রঙিন পেন্সিল ও পড়াশোনার কাগজপত্র খুঁজে পান। সেখানে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঝুলে ছিল একটি ছোট্ট শিশুর বিচ্ছিন্ন হাত।

স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হামলায় অন্তত পাঁচটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শত শত কেজি বিস্ফোরকের আঘাতে স্কুল ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়ে।

মৃতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা

২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা নাগাদ স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকরা অন্তত ১০৮টি মরদেহ পাওয়ার কথা জানান। তবে সেটিও অসম্পূর্ণ হিসাব হতে পারে বলে সতর্ক করেন। পরদিন ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, নিহতের সংখ্যা প্রায় ১৫০। পরে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১৬৮ বলা হয়।

শিশুদের মৃত্যুর রাজনৈতিক ব্যবহার

হামলার তিন দিন পর মিনাবে হাজারো মানুষকে নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে জানাজা ও শোক সভার আয়োজন করা হয়।

মিনাবের বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতদের সব পরিবারকে সেখানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। অনেক পরিবার নিজেদের গ্রামে সন্তানদের দাফন করতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত বহু শিশুকে একসঙ্গে কবর দেয়া হয়।

ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট একই ধরনের কবর খোঁড়া হয়েছে।

শিভা আমেলিরাদ বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পুরো ঘটনাকে রেভল্যুশনারি গার্ডের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। সেটি বোঝা যায়, কারণ তারা শিশুদের “শহীদ” বলে প্রচার করেছে।’

minab_ap
রমজানের রমজানের রৌদ্রোজ্জ্বল এক সকালে হামলার শিকার হয় বিদ্যালয়টি। ছবি: এপি

সত্য উদ্ঘাটন আরো কঠিন হয়ে পড়ে

যুদ্ধ চলতে থাকায় ইরানের আরো অনেক স্থানে হামলা হয়। একই সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ায় বিদেশী সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংস্থার পক্ষে ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

হরমুজ প্রণালি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ায় মিনাব অঞ্চলে সেনা মোতায়েনও ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিদেশী সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললে গ্রেফতারের আশঙ্কা তৈরি হয়।

ফলে পুরো ঘটনার বর্ণনা কার্যত ইরান সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়ার সময় ইরানের ফুটবল দল জ্যাকেটে সোনালি রঙের ‘#১৬৮’ ব্যাজ পরে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অংশ নেয়া ইরানি প্রতিনিধিদল নিজেদের নাম দেয় ‘মিনাব ১৬৮’। এছাড়া সরকারপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী নিহত শিশুদের লেগো চরিত্রে রূপ দিয়ে প্রচারমূলক ভিডিওও তৈরি করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল গত মার্চের এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করে, হামলার পর নিহতদের পরিবার ও বেঁচে যাওয়া শিশুদের দুর্ভোগকে ইরানি কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক প্রচারণার কাজে ব্যবহার করেছে।

এত কিছুর পরও নিহতদের পূর্ণাঙ্গ নামের তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পেন্টাগনের নথিতে উঠে আসে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

ইরানে প্রবেশ করতে না পারায় গবেষকরা হামলার দায় কার, সেটি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন।

যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে ইরান। ট্রাম্প উল্টো দায় চাপান ইরানের ওপর। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ শুধু বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হামলার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানত যে তারা ওই এলাকার আশপাশে হামলা চালিয়েছিল। পরে যাচাই করে দেখা যায়, সত্যিই একটি স্কুলে আঘাত লেগেছে এবং এরপর আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়।

তিনি জানান, অন্তত সাত বছর আগে একজন গোয়েন্দা বিশ্লেষক ভবনটিকে স্কুল হিসেবে শনাক্ত করেছিলেন। কিন্তু সেই তথ্য বিভিন্ন সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে যথাযথভাবে পৌঁছায়নি।

ফলে লক্ষ্য নির্ধারণের সময় ভবনটিকে স্কুল হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। এতে গোয়েন্দা বিশ্লেষণ ও লক্ষ্য যাচাই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পদ্ধতিগত দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে।

আরেক সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন বেসামরিক প্রাণহানি কমানোর জন্য কাজ করা দপ্তরগুলোর জনবল কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া হেগসেথের ‘অধিক প্রাণঘাতী অভিযান’ নীতির কারণে এমন ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

২০২৪ সালে পেন্টাগনে সিভিলিয়ান প্রোটেকশন সেন্টার অব এক্সেলেন্সে কাজ করতেন ওয়েস ব্রায়ান্ট। ওই সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, হাসপাতাল, স্কুল, গির্জা ও মসজিদের মতো সুরক্ষিত স্থাপনার ‘নো-স্ট্রাইক লিস্ট’ দীর্ঘদিন ধরেই হালনাগাদ ছিল না।

ধীরে ধীরে মিলছে নিহতদের পরিচয়

সাম্প্রতিক মাসগুলোয় এয়ারওয়ার্স দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়ে নিহত ১৫৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তাদের মধ্যে ১২৩ জন শিশু, যাদের সবার বয়স ১৩ বছরের নিচে।

অন্য ৩৪ জনের মধ্যে রয়েছেন ২৬ জন স্কুলকর্মী (যাদের একজন গর্ভবতী ছিলেন) এবং পাঁচজন অভিভাবক, যাদের প্রত্যেকেই অন্তত একটি সন্তান হারিয়েছেন।

সংস্থাটির হিসাবে, মোট নিহতের সংখ্যা ১৫৭-১৬৮ জনের মধ্যে এবং আহত হন ৯৫-১১১ জন।

এদিকে পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শেষ হলেও প্রতিবেদনটি এখন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) পর্যালোচনা করছে। পিট হেগসেথ বলেছেন, ‘উপযুক্ত সময়ে’ই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

এর আগে ২০২১ সালে আফগানিস্তানের কাবুলে হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় এক মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র দায় স্বীকার করে তদন্তের তথ্য প্রকাশ করেছিল।

তবে এবার এখনো কংগ্রেসও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পায়নি।

সশস্ত্র বাহিনী ও গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটির সদস্য সাউথ ডাকোটার রিপাবলিকান সিনেটর মাইক রাউন্ডস বলেন, কংগ্রেস এই হামলা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য পায়নি এবং তিনি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাশা করছেন।

দেশবার্তা/এমআর


সর্বশেষ সংবাদ 

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দরপতন, কমলো রুপার দামও
একাদশে ভর্তিতে আবেদন সাড়ে ৯ লাখের বেশি
পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু
আমিরাতে ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫৫

সর্বাধিক পঠিত 

দুর্নীতির অভিযোগে বিআরটিএ চট্টগ্রাম সার্কেল-১ ডিডির অপসারণ দাবি
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে আলোচনায় শফিকুল আলম শিপলু
এক মাসেও এল না ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেপথ্যে কী
শৃঙ্খলা ও মানবিকতায় দেশ গড়তে স্কাউটদের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বিশ্ব- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]