রাজধানীর পল্লবীতে বিএনপি কর্মী আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলায় মূল অভিযুক্ত মো. রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল ও বাপ্পা ওরফে শাকিলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) মিরপুর বিভাগ।
সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকার সাভার, গাজীপুর ও কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার এবং একটি ভক্সওয়াগন গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।এছাড়া তাদের কাছ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাও উদ্ধারের কথা জানান তিনি।
গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন- হামিদুর ওরফে মাখন, পারভেজ ও রাব্বি। ডিবির উপকমিশনার রাকিব খান বলেন, ‘ঘটনা ঘটিয়ে তারা কেউই ঢাকার ভেতরে ছিল না। গাজীপুরের কিছু জায়গা থেকে আমরা ফার্স্টে একজনকে পিক করেছি। তারপরে একজনকে পিক করেছি আমিনবাজার থেকে, একজনকে সাভার থেকে। ইভেন একজনকে কুষ্টিয়া থেকেও পিক করা হয়েছে’।
ডিবির তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত শুক্রবার গুলি করার পরপরই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে ঢাকার বাইরে চলে যায়। পরে তারা বিভিন্ন রিসোর্টে অবস্থান করে ‘আমোদ-ফুর্তি’ করছিল বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
গত শুক্রবার বিকাল পৌনে ৬টার দিকে পল্লবীতে একটি প্রাইভেটকার থেকে নেমে বিএনপি কর্মী আলমগীর হোসেনকে (৪৫) লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এ সময় আলমগীর ছাড়াও জোৎস্না নামে এক পথচারী নারী গুলিবিদ্ধ হন।
আলমগীর বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জোৎস্না কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ ঘটনায় আলমগীরের স্ত্রী বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় ল্যাংড়া রুবেলকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।
দেশবার্তা/এমআর