বাবা না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ১২ বছর

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

মতামত

আমার বাবা মোঃ ইসমাইল হোসেন। তিনি শুধু আমার জন্মদাতা নন, তিনি আমার জীবনের একজন আদর্শ মানুষ, একজন নৈতিক

2026-08-11T17:47:05+06:00
2026-08-11T17:47:05+06:00
বৃহস্পতিবার ● ১ অক্টোবর ২০২৬,
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
মতামত
বাবা না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ১২ বছর
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম 
⏲
আমার বাবা মোঃ ইসমাইল হোসেন। তিনি শুধু আমার জন্মদাতা নন, তিনি আমার জীবনের একজন আদর্শ মানুষ, একজন নৈতিক শিক্ষক এবং আমার কাছে অনুসরণীয় এক মহান ব্যক্তিত্ব।

২০১৪ সালের ১২ আগস্ট আমার বাবা আমাদের ছেড়ে না-ফেরার দেশে চলে যান। দেখতে দেখতে তাঁর চলে যাওয়ার বারো বছর পূর্ণ হয়েছে। ১২ আগস্ট (বুধবার) ২০২৬ তাঁর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী। বাবাকে হারানোর শূন্যতা কখনো পূরণ হবার নয়। সময় যত গড়িয়েছে, তাঁর স্মৃতি, তাঁর আদর্শ এবং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা তত গভীর হয়েছে।

বাবার মৃত্যুর দিনের কথা আজও আমার চোখের সামনে ভাসে। গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে আমার দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত কাছম আলী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল মাঠে সেদিন বিকেলে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর টেপিরবাড়ি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। সেদিন আকাশ থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল। আজও মনে হয়, বাবার চলে যাওয়ার শোকে বুঝি আকাশও কেঁদেছিল। প্রকৃতিও যেন সেদিন আমাদের দুঃখের সঙ্গে একাত্ম হয়েছিল। আমার বাবার জানাজার নামাজে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় সাত হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি আমাদের পরিবারের জন্য যেমন ছিল বেদনার মুহূর্তে সান্ত্বনা, তেমনি এটি ছিল বাবার সারাজীবনের কর্ম ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার এক নীরব স্বীকৃতি। তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, মানুষের দুঃখে সহমর্মী হয়েছেন, অসহায় মানুষের সহযোগিতা করেছেন। তাই তাঁর শেষ বিদায়েও মানুষ ভালোবাসা নিয়ে ছুটে এসেছিল।

২০১৪ সালের ১৬ আগস্ট কাছম আলী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল মাঠে তাঁর কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমাদের আরও উপলব্ধি করিয়েছিল, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর সম্পদ বা পদমর্যাদায় নয়, মানুষের জন্য তাঁর কাজ এবং মানুষের হৃদয়ে তাঁর অবস্থানের মধ্যেই নিহিত।

একজন সন্তানের প্রথম বিদ্যালয় তার পরিবার এবং প্রথম শিক্ষক তার বাবা-মা। আমার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে সততা, পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, সময়ের মূল্য, দায়িত্ববোধ এবং মানবিকতার শিক্ষা পেয়েছি। বাবা কখনো শুধু উপদেশ দিয়ে আমাদের শিক্ষা দেননি। বরং নিজের জীবনাচরণের মাধ্যমে তিনি আমাদের সামনে একটি আদর্শ স্থাপন করেছেন। তাঁকে দেখেছি কঠোর পরিশ্রম করতে, পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে। তিনি কখনো কোনো সমস্যার কাছে সহজে মাথা নত করতেন না। জীবনে নানা সংকট এসেছে, নানা প্রতিকূলতা এসেছে, কিন্তু তাঁকে ভেঙে পড়তে দেখিনি। তিনি বিশ্বাস করতেন, ধৈর্য, পরিশ্রম ও আল্লাহর ওপর ভরসা থাকলে কঠিন পরিস্থিতিও মোকাবিলা করা সম্ভব।

আমার বাবা ছিলেন আমার আদর্শ মানুষ। আমার দৃষ্টিতে আমার বাবা ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। তিনি ছিলেন একজন ভালো অভিভাবক, একজন সৎ মানুষ এবং একজন দায়িত্বশীল সমাজকর্মী। তিনি তাঁর ভাইদের মধ্যে ছিলেন সবার বড়। ছোট ভাইয়েরা তাঁকে অত্যন্ত সম্মান করতেন। আমার চাচারা তাঁকে ‘দাদা’ বলে সম্বোধন করতেন। পরিবারের বড় হিসেবে তিনি শুধু দায়িত্ব পালন করেননি, সবাইকে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধনে ধরে রেখেছিলেন।

আমার বাবা ম্যাট্রিক পাস করার পর কিছুদিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবন গঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সফলতা ও প্রশংসা অর্জন করেন।

বাবার জীবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি ছিল সমাজের প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধ। আমাদের গ্রামে সমাজব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। সেই সমাজের প্রধান হিসেবেও তিনি মৃত্যুর পূর্বক্ষণ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষ তাঁর কাছে বিচার-বিবেচনা, পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য আসত। তিনি ধৈর্য ধরে সবার কথা শুনতেন এবং ন্যায়সংগত সমাধানের চেষ্টা করতেন। আমাদের বাড়ির সামনে জামে মসজিদ, ফোরকানিয়া মাদরাসা ও স্কুল প্রতিষ্ঠায় তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মসজিদ, মাদরাসা ও কবরস্থানের জন্য তিনি জমি দান করে গেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং মানবিকতার বিকাশ ঘটাতে হবে। তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেও এই বিশ্বাসের প্রতিফলন ছিল।

১২ আগস্ট (বুধবার) তাঁর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীর প্রাক্কালে বাবার জীবনের দিকে ফিরে তাকালে উপলব্ধি করি, তিনি আসলে নিজের জন্য খুব বেশি কিছু চাননি। তিনি চেয়েছিলেন পরিবার ভালো থাকুক, সমাজ ভালো থাকুক, মানুষ ভালো থাকুক। আর আমাদের কাছে তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া ছিল একটাই, আমরা যেন ভালো মানুষ হই। সেই চাওয়াটিই আজ আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

আমার বাবা মোঃ ইসমাইল হোসেনের জীবনকে শুধু একজন পরিবারের কর্তার জীবন হিসেবে দেখলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হবে। তিনি ছিলেন একজন সমাজসচেতন মানুষ। নিজের পরিবারকে ভালো রাখার পাশাপাশি তিনি আশপাশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কথাও ভাবতেন। এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করে বাবা টেপিরবাড়ি কৃষক সমবায় সমিতি গড়ে তুলেছিলেন। তিনি এই সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এলাকার কৃষকদের সংগঠিত করা এবং তাঁদের প্রয়োজনের সময় সহজ শর্তে আর্থিক ও কৃষি সহায়তা নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার অনেক দরিদ্র কৃষক উপকৃত হয়েছেন। অনেক পরিবার নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছে। 

এলাকার কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৮০ সালে আমার বাবা নিজস্ব জমিতে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন। সেই সময়ে গভীর নলকূপ স্থাপনে প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। এই ব্যয়ের সিংহভাগ তিনি নিজেই বহন করেন। তাঁর নিজের জমির পাশাপাশি এলাকার মানুষের জমিতেও এই সেচ সুবিধা কাজে লাগত। একজন ব্যক্তির নিজের অর্থ ব্যয় করে এলাকার কৃষকদের জন্য এমন ব্যবস্থা করা খুবই প্রশংসনীয়।  

আমার বাবা স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হিসেবে বাবা বিশুদ্ধ খাবার পানির গুরুত্বও উপলব্ধি করতেন। ১৯৭৮ সালে তিনি আমাদের বাড়িতে একটি টিউবওয়েল স্থাপন করেন। বাবা মনে করতেন, মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের দায়িত্ব। বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করার এই উদ্যোগ তাঁর সেই মানবিক চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ। 

আমার বাবা ছিলেন একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। প্রতি বছর বর্ষাকালে তিনি ফলজ, বনজ ও ভেষজ বৃক্ষের চারা রোপণ করতেন। তাঁর হাতে লাগানো বহু গাছ আজও আমাদের বাড়ির চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে। গাছগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, বাবার ভালোবাসার একটি অংশ যেন এখনো প্রকৃতির মধ্যে বেঁচে আছে। আজ তিনি নেই, কিন্তু তাঁর লাগানো গাছগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, তিনি শুধু তাঁর সময়ের মানুষের জন্য কাজ করেননি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথাও ভেবেছিলেন।

বাবার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল তাঁর ধর্মীয় অনুশাসন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত খোদাভীরু ও পরহেজগার মানুষ। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতেন। দীর্ঘদিন আমাদের বাড়ির মসজিদে আজান দিয়েছেন। মোয়াজ্জিনের দায়িত্বও পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। ধর্মীয় বইপত্র পড়ার প্রতি তাঁর ছিল গভীর আগ্রহ। ৯২ বছর বয়সেও তাঁর দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক ছিল। তিনি স্বাভাবিকভাবে ধর্মীয় বই পড়তেন এবং মসজিদের তালিমে কিতাব পড়তেন। তাঁর জীবনের শেষ সময়েও ইবাদত-বন্দেগি থেকে তিনি বিচ্ছিন্ন হননি। 

বাবা সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তাই তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতিকে শুধু ব্যক্তিগত স্মৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ২০১৫ সালে বাবার নামে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘ইসমাইল হোসেন ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য বাবার মানবিক আদর্শকে ধারণ করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা, দুস্থ মানুষের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনহিতকর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব কাজের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করি, তাঁর যে মানবিক চিন্তা ও সমাজসেবার আদর্শ ছিল, সেটিকে মানুষের কল্যাণে বাঁচিয়ে রাখতে। আমাদের কাছে এটিই বাবার প্রতি সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধা।

বাবার প্রতি এলাকার মানুষের ভালোবাসার আরেকটি স্মারক হলো ‘ইসমাইল হোসেন মোড়’। স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে শ্রীপুর উপজেলার শিশুপল্লী সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামকরণ করা হয়েছে ‘ইসমাইল হোসেন মোড়’। বর্তমানে এই মোড়কে কেন্দ্র করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মাদরাসা, স্কুল ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কোনো মানুষের মৃত্যুর পর তাঁর নামে একটি স্থানের নামকরণ হওয়া নিঃসন্দেহে সম্মানের বিষয়। কিন্তু আমার কাছে এর চেয়েও বড় বিষয় হলো, এই নামটি উচ্চারণের সঙ্গে বাবার স্মৃতি মানুষের মাঝে ফিরে আসে।
হয়তো কোনো একদিন কোনো পথচারী ‘ইসমাইল হোসেন মোড়’-এর নাম দেখবেন এবং জানতে চাইবেন, ইসমাইল হোসেন কে ছিলেন? তখন তাঁর জীবন ও মানুষের জন্য করা কাজের কথা বলা যাবে। এভাবেই একজন মানুষের স্মৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে।
বাবাকে নিয়ে যত লেখা যায়, ততই মনে হয় আরও অনেক কিছু বলা বাকি রয়ে গেল। তাঁর জীবন ছিল দীর্ঘ, কর্মময় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। তাঁর ভালোবাসা ছিল গভীর, কিন্তু নিঃশব্দ। তাঁর দান ছিল উদার, কিন্তু প্রচারবিমুখ। তাঁর ধর্মভীরুতা ছিল আন্তরিক, কিন্তু প্রদর্শনহীন। তাঁর সমাজসেবা ছিল মানুষের জন্য, নিজের পরিচিতির জন্য নয়।
বাবা চলে গেছেন ১২ বছর আগে। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ আজও আমাদের পথ দেখায়। আমার বাবা মোঃ ইসমাইল হোসেন আমার কাছে শুধু একজন পিতা নন। তিনি আমার জীবনের আদর্শ, শক্তি, সাহস  ও প্রেরণা।

১২ আগস্ট ২০২৬ আমার বাবার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ইসমাইল হোসেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হবে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, সকাল ৮টায় শ্রীপুর টেপিরবাড়ী গ্রামস্থ মরহুমের কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল, সকাল ১০ টা থেকে কোরআনখানি, বাদ জোহর মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে দুপুরে খাবারের আয়োজন। বাদ আসর টেপিরবাড়ী পশ্চিম পাড়া মরহুম কাছম আলীর বাড়ী জামে মসজিদে মরহুমের স্মরণে আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। উল্লেখ্য মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকেও অনুরূপ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনার জন্যে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের কাছে দোয়া চেয়েছেন তাঁর পরিবার। 

বাবার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বাবাকে ভালোবাসতেন এমন মানুষসহ সবার কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া কামনা করছি। আপনারা আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমার বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন। তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন। তাঁকে ক্ষমা করুন এবং আমাদের তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনার তৌফিক দান করুন, আমীন।

লেখক পরিচিতি:

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (কৃষি), কেন্দ্রীয় কমিটি
চেয়ারম্যান, ইসমাইল হোসেন ফাউন্ডেশন
যুগ্মমহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), কেন্দ্রীয় কমিটি
৭০ কাকরাইল, ঢাকা
ই-মেইল: [email protected]
ফোন: ০১৫৫২৬৩১১১৮, ০১৮৪২৬৩১১১৮



সর্বশেষ সংবাদ 

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ
এ বছর ৪৩ লাখ কৃষক কৃষক কার্ড পাবেন: কৃষিমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের যুগের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন হতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে মন্তব্য, স্কুলশিক্ষক আটক
নিজ যোগ্যতায় জাতিসংঘে নিয়োগ পেয়েছেন জাইমা রহমান

সর্বাধিক পঠিত 

প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী
প্রতারক ভাড়াটিয়ার বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন
ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ, রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
একদিন বাড়িয়ে দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি
মিরপুরের হকারদের হামলায় ৪ সাংবাদিক আহত
মতামত- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]