ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশ (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, নির্ধারিত দোকানে বিক্রি হওয়া প্রতিটি মাংসে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরীক্ষার সিল থাকতে হবে। ওই সিল দেখেই সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবেন, মাংসটি পরীক্ষিত।
সোমবার রাজধানীর হাজারীবাগে আধুনিক পশু জবাইখানার উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মো. আবদুস সালাম বলেন, মাংস পরীক্ষিত কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মাংসের গায়ে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সিল থাকতে হবে। সিল ছাড়া মাংস বিক্রি হলে তা জব্দ করা হবে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে জবাই করা মাংস বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নির্ধারিত জবাইখানার বাইরে বিভিন্ন বাজারে পশু জবাই করা যাবে না। কেউ অননুমোদিত স্থানে পশু জবাই করলে তাকে জরিমানা করা হবে। আর অবৈধভাবে জবাই করা মাংস কোনো দোকানে বিক্রি হলে সেই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, অন্য স্থান থেকে মাংস আনা হলে পশুটি সঠিকভাবে জবাই করা হয়েছে কি না, সেটি সুস্থ ছিল কি না বা কোনো রোগে আক্রান্ত ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ থাকে না। এমনকি গরুর নামে মহিষের মাংস বিক্রি করা হচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করা সম্ভব হয় না। এসব বিষয় নিশ্চিত করতে নির্ধারিত জবাইখানায় পশু জবাই করতে হবে।
জবাইখানায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে মো. আবদুস সালাম বলেন, পশু জবাইয়ের সময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিত থাকতে হবে। কেউ দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকলে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশবার্তা/একে