| চলমান বার্তা: |

শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সারা দেশে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তরুণদের শক্তির উদাহরণ হিসেবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই দিন তরুণ সমাজ ফ্যাসিস্টকে বিতাড়িত করে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনাও তরুণদের হাত ধরেই হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর আকার তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে স্কাউটসের সদস্য প্রায় ২৩ লাখ এবং বিএনসিসির সদস্য ২২ হাজার। এর বাইরে প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসা থেকে শুরু করে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের হিসাব ধরলে এ সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে দেশকে বদলে দেওয়া সম্ভব। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণরা যে পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তা সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী তিন মাস ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। শতভাগ সফলতা সম্ভব না হলেও অন্তত ৮০ ভাগ সফল হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ যদি দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে একত্রিত হয়, তাহলে তাদের ঠেকিয়ে রাখা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। এখন দেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে হবে তরুণদের।
তিনি বলেন, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখ লাখ মানুষ একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছেন। সেই লক্ষ্য হলো দেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা এবং আবর্জনামুক্ত করার চেষ্টা করা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল আলম খান মিল্টন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা কর্মসূচির উদ্বোধনের পর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশবার্তা/এমআর
