‘আসিফ মাহমুদ আমাকে নক করেছিলেন, তখন তিনি উপদেষ্টা ছিলেন এবং আমাকে নিয়ে দেশের বাইরে ঘুরতে চেয়েছিলেন’—এমন বক্তব্য পরীমনি দিয়েছেন দাবি করে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রিন্ট সংস্করণের একটি সংবাদকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কার্ডটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কার্ডটিতে দাবি করা হয়েছে, জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে ‘আসিফ মাহমুদ আমাকে নক করেছিলেন, তখন তিনি উপদেষ্টা ছিলেন এবং আমাকে নিয়ে দেশের বাইরে ঘুরতে চেয়েছিলেন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। কার্ডে এটিকে পত্রিকাটির নিজস্ব প্রতিবেদকের প্রতিবেদন বলেও উল্লেখ করা হয়।
কার্ডটির বিস্তারিত অংশে পরীমনির বরাতে লেখা হয়েছে, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তাকে মোবাইল ফোনে নক করেছিলেন এবং তাঁকে নিয়ে দেশের বাইরে ঘুরতে যেতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি—এমন দাবিও করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে পরীমনির প্রকাশ্য কোনো বক্তব্যে এ ধরনের তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও এ–সংক্রান্ত কোনো পোস্ট বা বক্তব্যের সন্ধান মেলেনি।
এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রতিদিনের ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজেও এ ধরনের কোনো প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কার্ডটির সত্যতা একাধিক ডিটেক্টরের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। যাচাইয়ে কার্ডটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি করা ছবির বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রিন্ট সংস্করণে পরীমনি ও আসিফ মাহমুদকে নিয়ে এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে—এমন দাবি করে যে সংবাদকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, সেটি বাস্তব সংবাদকার্ড নয়। কার্ডটি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
দেশবার্তা/এমআর