জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকার বিপ্লব উদ্যানকে দৃষ্টিনন্দন, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক)। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে উদ্যানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরতে সেখানে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ও দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিপ্লব উদ্যান পরিদর্শনকালে চলমান উন্নয়নকাজের অগ্রগতি দেখে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় মেয়র উদ্যানের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং চলমান উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
মেয়র জানান, বিপ্লব উদ্যানে স্থাপন করা জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য হবে ২২৫ ফুট এবং প্রস্থ ৯০ ফুট। পতাকাটি দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপনের পাশাপাশি এর নিচে ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরার ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে ‘উই রিভোল্ট’ (We Revolt) এবং নিচে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ থাকবে বলেও জানান তিনি।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’-এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের যে সূচনার ইতিহাস রয়েছে, সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে সামনে রেখে বিপ্লব উদ্যানে বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্ম যাতে এই উদ্যানের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিপ্লব উদ্যানের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি জড়িয়ে আছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের সূচনার ইতিহাসের সঙ্গে এই স্থানের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, সেটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যানকে শুধু একটি সাধারণ বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে নয়, বরং ইতিহাস, বিনোদন ও নাগরিক সুবিধার সমন্বয়ে একটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নগরের ব্যস্ততম এই এলাকায় একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন উন্মুক্ত স্থান নগরবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশু-কিশোর, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ যাতে এখানে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন, সেই বিষয়টি উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ