সাবান-শ্যাম্পুর দাম বাড়ছে, কমছে ওজনও

দেশবার্তা ডেস্ক

অর্থ-বাণিজ্য

উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির অজুহাতে বাজারে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে গোসলের সাবান, শ্যাম্পু ও ডিটারজেন্ট পাউডারের দাম। সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি না

2026-09-30T14:38:02+06:00
2026-09-30T14:38:02+06:00
বৃহস্পতিবার ● ১ অক্টোবর ২০২৬,
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
অর্থ-বাণিজ্য
সাবান-শ্যাম্পুর দাম বাড়ছে, কমছে ওজনও
দেশবার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম 
⏲
সংগৃহীত ছবি
উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির অজুহাতে বাজারে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে গোসলের সাবান, শ্যাম্পু ও ডিটারজেন্ট পাউডারের দাম। সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি না থাকার সুযোগে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত দুই মাসের ব্যবধানে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রসাধন ও পরিষ্কারক সামগ্রীর দাম ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের প্রায় সব ব্র্যান্ডের গোসলের সাবানের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে কেবল দাম বাড়ানোই নয়, পাশাপাশি কমানো হয়েছে সাবানের ওজনও। আগে ১০০ গ্রামের সাবান যে দামে বিক্রি হতো, এখন দাম বাড়িয়ে সেটির ওজন করা হয়েছে ৯০ গ্রাম (১০ গ্রাম হ্রাস)।

অন্যদিকে কোম্পানিভেদে বোতলজাত শ্যাম্পুর দাম বোতলপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে ৩৩০ মিলিলিটারের (এমএল) যে শ্যাম্পুর দাম ছিল ৩৮০ টাকা, তা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকায়। এছাড়া অনেক কোম্পানি ২০০ মিলিলিটারের বোতলে এখন ১৯০ মিলিলিটার শ্যাম্পু দিচ্ছে। একইভাবে থালাবাসন পরিষ্কারের উপাদান, কাপড়ের সাবান ও ডিটারজেন্ট পাউডারের দাম ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। 

খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলার বা কোম্পানির কাছ থেকে তাঁদেরই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে, যার ফলে বাধ্য হয়েই ভোক্তাপর্যায়ে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এক বিক্রেতা বলেন, ‘৬৫ টাকা পণ্যের গায়ের রেট আগে ছিল ৫৫ টাকা, এখন ৬৫ টাকা। আগে পণ্যের পরিমাণ ছিল ১০০ গ্রাম, এখন দেয় ৯০ গ্রাম। কাপড় কাচার সাবানেরও দাম বেড়েছে। আগে ৩০ টাকা ছিল, এখন ৩৫ টাকা।’

ভোগ্যপণ্যের সাথে সাথে এসব আনুষঙ্গিক পণ্যের দাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্রেতা জানান, প্রাত্যহিক জীবনের এসব অপরিহার্য পণ্য প্রয়োজন বলেই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।

সরকারের তদারকির অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ক্রেতা জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উচিত সরাসরি উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা। বাজারে এসে খুচরা বিক্রেতাদের ধরে লাভ নেই, কারণ পণ্যের মোড়কেই গায়ের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঠিক কী কারণে ইচ্ছামতো দাম বাড়ানো হচ্ছে এবং এতে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি প্রসাধন ও ওয়াশিং সামগ্রীর মূল্য নির্ধারণ এবং অনিয়ন্ত্রিত দাম বৃদ্ধি রুখতে বাজারে কঠোর সরকারি নজরদারির দাবি জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষই।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ
এ বছর ৪৩ লাখ কৃষক কৃষক কার্ড পাবেন: কৃষিমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের যুগের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন হতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে মন্তব্য, স্কুলশিক্ষক আটক
নিজ যোগ্যতায় জাতিসংঘে নিয়োগ পেয়েছেন জাইমা রহমান

সর্বাধিক পঠিত 

প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী
প্রতারক ভাড়াটিয়ার বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন
ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ, রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
একদিন বাড়িয়ে দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি
মিরপুরের হকারদের হামলায় ৪ সাংবাদিক আহত
অর্থ-বাণিজ্য- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]