কুমিল্লার বরুড়ায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে উদ্ধার ও দাফন করা এক নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী এরশাদ হোসেন (৩৮)কে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বরুড়া থানা-পুলিশ। পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের উত্তর ওড্ডা এলাকায় একটি ধানখেতের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মরদেহটি দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ১২ সেপ্টেম্বর বরুড়া থানায় মামলা করা হয়। মামলার নম্বর ০৬/১৮১। এতে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরুড়া থানার উপপরিদর্শক (নিঃ) সাঈদ মিয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চালান। পরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকা থেকে এরশাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অজ্ঞাতনামা ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তাঁর নাম রোজিনা বেগম (৩২)। তিনি গ্রেপ্তার হওয়া এরশাদ হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর এরশাদ হোসেন তাঁর স্ত্রী রোজিনা বেগমকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করেন।
পরে ২ অক্টোবর গ্রেপ্তার এরশাদ হোসেন কুমিল্লার আদালতে স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের মাধ্যমে আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ