লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল

2026-07-26T20:33:46+00:00
2026-07-26T20:33:46+00:00
শুক্রবার ● ৩১ জুলাই ২০২৬,
১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English

শুক্রবার ● ৩১ জুলাই ২০২৬
চলমান বার্তা:
লাইফস্টাইল
বাবা হওয়ার পথে বাধা অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, কমাবেন কোন ঝুঁকি?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম 
নিয়মিত এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে কোনো ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্কের পরও গর্ভধারণে ব্যর্থ হওয়াকে ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব বলা হয়। প্রচলিত ধারণায় এটিকে কেবল নারীদের সমস্যা ভাবা হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান ও সাম্প্রতিক নানা গবেষণা বলছে, পুরুষের মধ্যেও বন্ধ্যত্বের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক চাপ, ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং অনিয়মিত ঘুম- নানা কারণে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া এবং গুণগত মান নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

যে অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি

প্রক্রিয়াজাত ও ফাস্টফুড গ্রহণ: জাঙ্কফুড, প্রক্রিয়াজাত মাংস, অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার ও চিনিযুক্ত পানীয় পরিহার করতে হবে। এসব খাবার শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে শুক্রাণুর ক্ষতি করে।

ধূমপান ও মদ্যপান: অ্যালকোহল ও তামাকজাত দ্রব্য শুক্রাণুর স্বাভাবিক গঠন ও চলাচলের ক্ষমতা সরাসরি নষ্ট করে।

ক্রনিক স্ট্রেস ও ঘুমের অভাব: দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ শরীরে ‘কর্টিসল’ হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা পুরুষালি হরমোন ‘টেস্টোস্টেরন’-এর ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।

কায়িক পরিশ্রমহীন জীবনযাপন: শরীরচর্চা না করা এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় বসে কাজ করা প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ডায়েট ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন

চিকিৎসকদের মতে, পুষ্টিকর খাবার ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে শুক্রাণুর স্বাস্থ্য উন্নত করা সম্ভব। সুষম আহারের ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও মিনারেল শুক্রাণুর কোষকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।

প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান: জিংক, সেলেনিয়াম, ফোলেট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি শুক্রাণু উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

খাদ্য তালিকায় যা রাখবেন: বাদাম, নানা ধরনের বীজ, সবুজ শাকসবজি, সামুদ্রিক ও ভালো মানের মাছ, লেবুজাতীয় ফল, ডিম এবং বিভিন্ন ডাল জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।

লাইফস্টাইলে সঠিক পরিবর্তন আনলে সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই শুক্রাণুর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

দেশবার্তা/একে



সর্বশেষ সংবাদ 

দিনাজপুরে পক্ষকালব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার সমাপ্তি
২ কোটি রুপির লোভও টলাতে পারেনি সাই পল্লবীকে, কারণ জানলে অবাক হবেন
বন্ধ কারখানা চালু করে বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা
সরকারের কত সন্ত্রাসী আছে, আমরা দেখবো: নাহিদ ইসলাম
কাফকোর কাছ থেকে ১৩২ কোটি টাকার ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

সর্বাধিক পঠিত 

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে আইন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত
গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
কুমিল্লায় শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটক
‘পাতার বাঁশরি’র পেছনের গল্প ও নিজের ভাবনা জানালেন সুনিধি
চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ গ্রেপ্তার
লাইফস্টাইল- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
আহমেদ টাওয়ার ( লেবেল ১২),২৮ ও ৩০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ
বনানী, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। শামীম প্রিন্টিং প্রেস, ১৯৪/৫ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত।
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]