সিলেটে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে এক কিশোরকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় লোকজনের বাধায় কিশোরটি উদ্ধার হলেও এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দেয় জনতা। এ সময় ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও ভাঙচুর করা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে জালালাবাদ থানার মদিনা মার্কেট এলাকার জামেয়া ইসলামীয়া মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে সিয়েরা-২১ টিমের এসআই (নি.) প্রণব রায় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে গাড়ির চালককে উদ্ধার করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রাইভেটকারের চালক সামাদ (২৬), সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার ছালিয়া এলাকার ময়না মিয়ার ছেলে। তিনি ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত আরও দুই ব্যক্তি কোতোয়ালী থানার আখালিয়া সুরমা আবাসিক এলাকার ‘রিফাত অ্যান্ড কোং’ নামের একটি দোকানের সামনে থেকে ইমরান হোসেন (১৯) নামে এক কিশোরকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে জোর করে গাড়িতে তুলে নেন।
পরে তারা সুবিদবাজারের দিকে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন মদিনা মার্কেট এলাকায় প্রাইভেটকারটি আটকে দেয়। এ সময় অপর দুইজন পালিয়ে গেলেও চালক সামাদকে আটক করে গণপিটুনি দেয় জনতা এবং গাড়িটি ভাঙচুর করে।
আহত অবস্থায় চালক সামাদ ও ভুক্তভোগী ইমরান হোসেনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে এসআই প্রণব রায় বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম ও চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। ভিকটিমকে মারধর করা হয়েছিল এবং চালক গণপিটুনির শিকার হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পলাতক দুইজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
দেশবার্তা/একে