আমার সহধর্মিণী জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি: মির্জা ফখরুল

দেশবার্তা ডেস্ক

রাজনীতি

নিজ স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা

2026-08-12T13:58:42+06:00
2026-08-12T13:58:42+06:00
বুধবার ● ১২ আগস্ট ২০২৬,
২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

বুধবার ● ১২ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
রাজনীতি
আমার সহধর্মিণী জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি: মির্জা ফখরুল
দেশবার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৮ পিএম 
নিজ স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজনৈতিক জীবনের নানা কঠিন ও অনিশ্চিত সময়ে স্ত্রীর সাহস, ত্যাগ এবং সার্বিক সহযোগিতার কথা স্মরণ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে পারিবারিক জীবন এবং রাজনীতিতে স্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আমি আল্লাহ তায়ালার কাছে সবসময় শুকরিয়া আদায় করি আমি খুব ভাগ্যবান। আমার তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সি কুড বিকাম মাই লাইফ পার্টনার। কারণ আমি আমার জীবনটা বিয়ের পরেই আমার ট্রান্সফার পোস্টিংটা। এরপর রাজনৈতিক জীবনে চলে আসা। পুরোপুরি একটা অনিশ্চিত জীবন।’

পরিবারের প্রতি স্ত্রীর ত্যাগের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন একটি বিমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। সন্তানদের পড়ালেখা ও সংসারের পুরো দায়িত্ব তাকে এক হাতে সামলাতে হয়েছে। মেয়েদের হলিক্রস স্কুলে পড়ার সময় পরিবারের সদস্যদের টেম্পোসহ গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তিনি নিজে চাকরি করেছেন, দীর্ঘদিন ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানিতে কাজ করেছেন। তার চেষ্টাতেই আমার মেয়েরা লেখাপড়া শিখেছে। হলিক্রসে পড়াশোনা করেছে এবং কষ্ট করেছেন। আমার মেয়েরা এবং আমার স্ত্রী এরা টেম্পোতে যাতায়াত করতো। এই কষ্টটা উনি করেছেন খুব প্রচুরভাবে। পরবর্তীতে যখন কিছুটা ভালো বেতন পেলেন, আমিও কিছুটা সেট হবার মতো অবস্থায় আসলাম।’

রাজনৈতিক জীবনের সংকটময় মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘প্রত্যেকটা বিপদের সময় উনি কারেজিয়াসলি দাঁড়াতেন। আমাকে যখন পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, তখন উনি খুব কারাজিয়াসলি আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ বা ২০১৪ সালের দিকে একটা রাত্রে পুলিশ রেইড করলো। উনি বললেন, আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি দরজা খুলবো না। ইতিমধ্যে মিডিয়াতে খবর দেওয়ায় মিডিয়া সব চলে এসছে। তারপরে ভোরবেলা উনি দরজা খুলেছেন, আমাকে পুলিশ নিয়ে গেছে।’

স্ত্রীর এমন সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি আরও জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার স্ত্রী কখনো অসন্তোষ প্রকাশ করেননি। বরং প্রতিটি কঠিন পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থেকে পাশে থেকেছেন, যার অবদান তার জীবনে অতুলনীয়।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০২৫
আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর
চাকরি গেল বিপ্লব, সুদীপ, ইকবাল, রুহানীসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার
জয়পুরহাটে পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে শতভাগ ফেল
নারায়ণগঞ্জে শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে তিন যানবাহনকে জরিমানা

সর্বাধিক পঠিত 

পিডি গফুরের পদত্যাগের দাবিতে রাবিপ্রবিতে ‘ঘৃণা মঞ্চ’
যে পরীক্ষার কারণে বিমান চলাচলও বন্ধ রাখতে হয়
বাবা না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ১২ বছর
বাংলা কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ফি বাতিল
মিরপুরে বিএনপি কর্মীকে গুলি, ল্যাংড়া রুবেল ও বাপ্পাসহ গ্রেপ্তার ৫
রাজনীতি- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]