শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের শুনানি চলছে

বিশেষ প্রতিনিধি

জাতীয়

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ (২৩ আগস্ট) মাগুরার আট বছরের শিশু

2026-08-23T14:04:34+06:00
2026-08-23T14:04:34+06:00
সোমবার ● ২৪ আগস্ট ২০২৬,
৯ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

সোমবার ● ২৪ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
জাতীয়
শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের শুনানি চলছে
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ (২৩ আগস্ট)  মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি চলছে। আদালতে আসামিপক্ষে রয়েছেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।
 
শিশু আছিয়ার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি ঘটে মাগুরা সদর উপজেলায়। রমজানের ছুটিতে শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যারও চেষ্টা চালান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির।

এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আলোচিত এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

গত বছরের ৭ মে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এক বছর আগে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই বছরের ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে প্রেরণ করতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। পরে সব যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়।

প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকাভূক্ত হয়।


দেশবার্তা / জেএ





সর্বশেষ সংবাদ 

‘সস্তা কপি’ কটাক্ষের পর কঙ্গনা-তাপসীর বাকযুদ্ধ
চুল কেটে ভিডিও কলে গার্দিওলাকে চমকে দিলেন হালান্ড
নওগাঁয় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার
ফরিদপুরের পদ্মায় অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

সর্বাধিক পঠিত 

রেলের আরএনবির চীফ কমান্ড্যান্টেরে ১৫ চৌকি থেকে ৫৪ লাখ টাকার চাঁদা বানিজ্য
টাউন হল অডিটরিয়ামের দুই বছরের কাজ আট বছরেও শেষ হয়নি
প্রধানমন্ত্রীর পিএস-১ হচ্ছেন যুগ্ম সচিব জসিম উদ্দিন
প্রাণসায়ের খালধারে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার বৃক্ষরোপণ
ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
জাতীয়- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]