ডাক্তার আছে, দায়িত্ব নেই

দেশবার্তা প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকসংকট প্রকট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের প্রয়োজন প্রায় ৮৯ হাজার। অথচ

2026-10-04T18:48:35+06:00
2026-10-04T18:48:35+06:00
সোমবার ● ৫ অক্টোবর ২০২৬,
২০ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
স্বাস্থ্য
সারাদেশে ওএসডি ৮ হাজার ৫৬১ চিকিৎসক
ডাক্তার আছে, দায়িত্ব নেই
কাজ ছাড়াই উত্তোলন করছেন বেতন-ভাতা
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৮ পিএম 
⏲
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকসংকট প্রকট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের প্রয়োজন প্রায় ৮৯ হাজার। অথচ কর্মরত আছেন মাত্র ৩০ হাজারের কিছু বেশি। অনুমোদিত পদও খালি পড়ে আছে সাড়ে ১১ হাজার। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ৮৪৫ জন চিকিৎসককে কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব ছাড়াই বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে রাখা হয়েছে। তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলেও চিকিৎসাসেবা বা প্রশাসনিক কাজে যুক্ত নন। অন্যদিকে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকেরা। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ওএসডি চিকিৎসকের সংখ্যা ৮ হাজার ৫৬১। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৭১৬ জন উচ্চশিক্ষা ও হাসপাতালে সংযুক্তির কাজে নিয়োজিত। বাকি ৮৪৫ জন প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক কারণে ওএসডি হয়েছেন। চিকিৎসকসংকটের মধ্যে অভিজ্ঞ ও দক্ষ চিকিৎসকদের এভাবে বসিয়ে রাখার বিষয়টি সরকারি স্বাস্থ্যসেবার জনবল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওএসডি চিকিৎসকদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চতর ডিগ্রির কোর্সে অধ্যয়নরত ৪ হাজার ১৯৭ জন। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তিমূলক ওএসডি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ৩ হাজার ৫১৯ জন। অর্থাৎ তাদের একটি বড় অংশ সরাসরি চিকিৎসাসেবা বা উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত। তবে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ওএসডি হওয়া ৮৪৫ চিকিৎসকের ক্ষেত্রে একই চিত্র নেই। তাদের অনেকের নির্দিষ্ট কর্মস্থল কিংবা দায়িত্ব নেই। ফলে একদিকে চিকিৎসকসংকটে রোগীদের সেবা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি অর্থে বেতন পাওয়া একটি অংশের চিকিৎসককে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শৃঙ্খলাভঙ্গ, দীর্ঘদিনের অনিয়মসহ নানা কারণে বেশ কিছু চিকিৎসক ওএসডি হিসেবে আছেন। এর মধ্যে ১০ জনের মতো সিভিল সার্জনও রয়েছেন। তাদের বসিয়ে রেখে বেতন দেওয়ার সুযোগ নেই। যেহেতু অপরাধ করেছে, শাস্তি তো কিছু পেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার তাদের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে। যেহেতু সাত মাসের একটা সরকার, সবকিছু ঠিকঠাক হতে কিছুটা সময় লাগছে।

দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকের ঘাটতি দীর্ঘদিনের। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সম্প্রতি সংসদে জানিয়েছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৮৮ হাজার ৯০০ চিকিৎসক প্রয়োজন। বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। ঘাটতি ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন। এছাড়া অনুমোদিত পদ খালি রয়েছে সাড়ে ১১ হাজার।

এই জনবলসংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে। দেশের অন্তত ১৯৬টি উপজেলায় চিকিৎসাসেবা প্রায় ভেঙে পড়েছে। অন্য উপজেলাগুলোতেও চিকিৎসকস্বল্পতার কারণে রোগীদের একটি বড় অংশকে জেলা সদর কিংবা বিভাগীয় হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এতে রোগীদের যাতায়াত ব্যয় বাড়ছে, বাড়ছে চিকিৎসা পেতে ভোগান্তিও।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কারণে ওএসডি হওয়া চিকিৎসকদের কাজে ফেরানো গেলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে শুধু চিকিৎসকের সংখ্যা বিবেচনা করে পদায়ন করলেই হবে না; তাদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ অনুযায়ী কর্মস্থল নির্ধারণ করাও জরুরি।

চিকিৎসকদের ওএসডি হওয়ার পেছনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তেরও ভূমিকা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন পদ্ধতি বা অপারেশন প্ল্যান (ওপি) বাতিল করা হয়। এর ফলে ওপি-সংশ্লিষ্ট হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (পিএম) ও ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজারের (ডিপিএম) পদ বিলুপ্ত হয়ে যায়। এসব পদে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তারা আগের মতোই বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। কিন্তু তাদের অনেকের নির্দিষ্ট কর্মস্থল নেই।

এছাড়া বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কয়েকটি বিভাগের পরিচালক, উপপরিচালক ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক পদে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের ওএসডি করা হয়। তাদের অনেকে এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত থাকলেও নির্দিষ্ট কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বসিয়ে রেখে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ওএসডি হওয়া চিকিৎসকদের মূলধারায় ফেরাতে সরকার আন্তরিক। 

তিনি বলেন, ওএসডির সংখ্যাটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি হয়েছে। একজন চিকিৎসক যে মতেরই হোন, তার পেছনে সরকার শুধু শুধু বসিয়ে রেখে অর্থ অপচয় করতে পারে না। যেসব পদে তারা ছিলেন, সেগুলো এখন পূর্ণ। তাই অন্যভাবে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সরকার তা ভাবছে।

ওএসডি হওয়া চিকিৎসকদের একটি অংশের দাবি, রাজনৈতিক বিবেচনায় তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখায় স্বাস্থ্য প্রশাসনে অভিজ্ঞ জনবলের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না। দীর্ঘদিন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন কিংবা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা চিকিৎসকেরা প্রশাসনিক কাজ, জনবল ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। তাদের দায়িত্বহীন করে রাখলে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ থাকে না।

২১তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তার ভাষ্য, রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে দীর্ঘ সময় ঢাকার বাইরে কাজ করতে হয়েছে। পরে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। জুলাই অভ্যুত্থানের পর তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি বিভাগের লাইন ডিরেক্টর করা হয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে পদটি বিলুপ্ত হলে তিনি ওএসডি হন। এরপর থেকে তার আর পদায়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের টাকায় আমাদের বেতন হচ্ছে। অথচ তাদের সেবা দেওয়া থেকে দক্ষ চিকিৎসকদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকদের পদায়ন ও দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি নতুন নয়। তবে রাজনৈতিক পরিচয় বা বিবেচনায় কাউকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার চর্চা প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনসেবার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সিভিল সার্জন এবং পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এক কর্মকর্তাকেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যে ওএসডি করে। 

তার দাবি, তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তারপরও তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে, জনগণের টাকায় বেতন পাচ্ছি, কিন্তু তাদের সেবা দিতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, কখনো সরাসরি রাজনৈতিক দল করিনি। অথচ আমাকে ওএসডি করা হয়েছে। এই ধারা পরিবর্তন হওয়া উচিত। কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে ওএসডি করা ইতিবাচক কিছু বয়ে আনে না। একজন চিকিৎসকের এভাবে বসে থাকা বিব্রতকর। 

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি ও স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, রাজনৈতিক কারণে চিকিৎসকদের পদায়ন না করে ওএসডি করে রাখা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের চর্চা প্রকট হয়ে ওঠে। স্বাস্থ্য খাতের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এমন আচরণের সুযোগ থাকা উচিত নয়।

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ওএসডি হওয়া চিকিৎসকদের বাইরে উচ্চশিক্ষা ও হাসপাতালে সংযুক্তির জন্যও চিকিৎসকদের ওএসডি করা হয়। এমডি, এমএস ও এফসিপিএসের মতো স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত চিকিৎসকেরা এ ব্যবস্থার আওতায় থাকেন। 

অন্যদিকে, যেসব হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি অথচ অনুমোদিত পদ না থাকায় নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয় না, সেখানে চিকিৎসকদের সংযুক্ত করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বর্তমান মহাপরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর উচ্চশিক্ষা ও হাসপাতাল সংযুক্তির আওতায় ৭৭২ জন চিকিৎসককে ওএসডি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪১৫ জন উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের বিভিন্ন কোর্সের জন্য এবং ৩৫৭ জন বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্ত রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অনুমোদিত ওএসডির পদ ১০ শতাংশ। যেহেতু পদ অনুযায়ী চিকিৎসক নেই, কাজেই মাত্র ১০ শতাংশ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন। এ জন্য ওএসডির সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার।

তিনি বলেন, একটা স্পেশালাইজড সাবজেক্টে একজন ডিগ্রিধারীকে এমন জায়গায় দিতে চাচ্ছি, যেখানে পদ নেই, কিন্তু তাকে দিলে মানুষ ভালো সেবা পাবে। তখন তাকে ওএসডি করে অ্যাটাচমেন্ট (সংযুক্তি) হিসেবে ওখানে দিতে হয়। আবার অনেকে কোর্সে ঢুকেছে, কিন্তু তাদের ট্রেনিং পোস্ট নেই। অ্যাটাচমেন্ট ছাড়া ট্রেনিং করতে পারছে না। তাই আমরা চাচ্ছি ওএসডির হার ১০ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত করতে। তাতে ডিগ্রিধারী চিকিৎসক যেমন তৈরি হবে, তেমনি জনগণও সেবা পাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শিগগিরই পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে হাসপাতালে সংযুক্তির হার বাড়িয়ে জনবলসংকট মোকাবিলার পরিকল্পনা রয়েছে। 

দেশবার্তা/এসআইএস/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
মেসির সহায়তায় বছরে ৪০০ শিশু পাবে ক্যানসারের চিকিৎসা
শারীরিক অবস্থার উন্নতি, শুটিংয়ে ফিরতে চান তানিয়া বৃষ্টি
শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হরমুজ: ইরান

সর্বাধিক পঠিত 

খাবার টেবিলে ওয়ান টাইম প্লেট নামক বিষ
সিডিএমএসের তথ্য মুছে শীর্ষ সন্ত্রাসীকে দায়মুক্তির চেষ্টা
নদীর বুকে নৌকার লড়াই, কালীগঙ্গার দুই পাড়ে মানুষের ঢল
স্মৃতি কথা: আমাল ছে বান্তি হায় জিন্দেগি-০৪
মারামারি ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত
স্বাস্থ্য- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]