রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের সাত নেতাকর্মীকে শনাক্ত করা হয়েছে। হামলার ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনই সংগঠনটির বিভিন্ন পদে রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী নন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দাবি করেছেন, হামলাকারীদের কেউ অছাত্র নন।
গত রোববার (৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলের গেটের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজুসহ অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হন।
হামলার ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে শনাক্ত ব্যক্তিরা হলেন আইন বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব, ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম, ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, সংগীত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম অথি এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম।
শাহরিয়ার আলম অথি ও সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম ছাড়া শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউই বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী নন। হামলায় অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিশাল চক্রবর্তীকেও শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি এর আগে শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিবের সঙ্গে রাজনীতি করতেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতি করছেন। প্রথম বর্ষে তিনি ড্রপআউট হন বলেও জানা গেছে।
দেশবার্তা/এমআর