তাজা ফলের জুস খেতে কে না পছন্দ করে! চোখের সামনে প্রস্তুতকৃত কৃত্তিমতামুক্ত সতেজ জুসে মন শীতল হয়, তৃষ্ণা নিবারণ হয়। এই প্রত্যয়ে রাজধানীর ধানমণ্ডি-১৩ তে (সোবহানবাগ মসজিদ কমপ্লেক্সের পাশে, ঐতিহ্যবাহী তেহারী ঘর-এর কর্নারে) শুভ সূচনা হয়েছে “ধানমণ্ডি-১৩ জুস বার”। বয়স ছয় মাস, তবে এর মধ্যে উচ্চমানীয় জুসের বদৌলতে সুনাম ছড়িয়েছে জুস বারটির। প্রায় পঞ্চাশ প্রকার জুসের সমারোহ ধানমণ্ডি-১৩ জুসবারে। সঙ্গত কারণেই স্লোগান নির্ধারিত হয়েছে- টাটকা ফলের রস।
প্রতিদিনকার টাটকা ফল, সাথে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি এবং কিঞ্চিৎ চিনি- এর মিশ্রণে অর্ডার এলেই প্রস্তুত করা হয় জুস৷ এর বাইরে কৃত্রিম রঙ, কেমিক্যাল কিছু মেশানো হয় না। বরফ নিজস্ব তৈরি এবং ফিল্টার পানি ব্যবহৃত হয়। বিশেষ জুসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- যাবতীয় সিজনাল জুস: মাল্টা, কদবেল, জলপাই, বেল, তরমুজ, আম, কলা, আনার, পেঁপে এবং ৫-৬ প্রকার ফলের মিশেলে ককটেল বা মিক্সড ফ্রুট জুস (আম, আনার, ড্রাগন, পেঁপে, আঙ্গুর, আপেল মিক্সড) জনপ্রিয়। শেকের মধ্যে বাদাম- খেজুর- দুধ মিশ্র শক্তিশালী কাজু-পেস্তা মিল্ক শেক জুসপ্রেমীদের চাহিদার শীর্ষে। পাশাপাশি, স্ট্রবেরী, ম্যাঙ্গো, ব্যানানা শেক নজরকাড়া।
ধানমণ্ডি-১৩ র ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্য এর প্রতিটি জুস, শেক বা কোল্ড কফি আইটেম নির্ভেজাল এবং সুস্বাদু হয়। জুসের পাশাপাশি এখানে আছে মজাদার লাচ্ছি, ফালুদা। সকাল ১০ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত এসব জুস পান করতে ভীড় করেন বিভিন্ন বয়সী জুসপ্রেমীরা। মূল্য কিন্তু হাতের নাগালে; মানে ভাল তবে অতিরিক্ত বেশী মূল্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া উদ্যোক্তা আবীর হাসান শুভ এবং তার পিতা মোঃ দুলাল মিয়া’ র যৌথ প্রয়াসে জুস কর্ণারটি এগিয়ে যাচ্ছে সগৌরবে। পার্সেল সহ বসে খাওয়ার সুব্যবস্থা আছে ধানমণ্ডি-১৩ জুস বারে।
দেশবার্তা/জেএ