নরসিংদীর মাধবদীতে শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে মাধবদী পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দী ঋষিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে চাপাতির কোপে দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিন থেকে চারজন।
ঘটনার পর আহতদের স্থানীয় প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে চাপাতির কোপে গুরুতর জখম হওয়া দুজনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় হরেকৃষ্ণ দাস, হরলাল দাস, অন্যপূর্ণা রানীসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে অভিযুক্ত করে মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গণেশ চন্দ্র দাস।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুদের মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত হরলাল দাস ও গণেশ চন্দ্র দাস বিষয়টি জানতে পারেন। পরে গণেশ চন্দ্র দাসসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের বাড়ির গেটের সামনে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও চাপাতি নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
হামলায় গণেশ চন্দ্র দাসের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। তাঁকে রক্ষা করতে তাঁর ভাতিজা সুব্রত চন্দ্র দাস ও মেয়ের জামাতা শাওন চন্দ্র দাস এগিয়ে এলে চাপাতির কোপে তাঁরা গুরুতর আহত হন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তদের একজনের নির্দেশে অন্য একজন ধারালো চাপাতি দিয়ে সুব্রত চন্দ্র দাসের মাথার বাঁ পাশে কোপ দেন। একই সময়ে আরেক অভিযুক্তের চাপাতির কোপে শাওন চন্দ্র দাসের মাথার বাঁ পাশে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত ব্যক্তিরা প্রাইম জেনারেল হাসপাতাল ও নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ ঘটনায় মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গণেশ চন্দ্র দাস।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত হরলাল দাসের বাড়িতে গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
প্রতিনিধি/আরএইচ