পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে গাইবান্ধার সাঘাটায় যাত্রা শুরু করল ‘আব্দুস সালাম মাস্টার-মনোয়ারা বেগম পাঠাগার’। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেলা ১১টায় উপজেলার বটতলা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠাগারটির উদ্বোধন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের আশা, এ পাঠাগার অত্র অঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল ওয়ারেছ আকন্দ। তিনি বলেন, একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়তে এবং সঠিক ইতিহাস জানতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। পাঠাগার কেবল বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, এটি একটি জাতির মেধা ও মনন বিকাশের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করে আলোর পথে ফেরাতে প্রতিটি পাড়ায় এমন পাঠাগার গড়ে তোলা প্রয়োজন।
বরেণ্য অতিথির বক্তব্যে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর বলেন, প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেও এমন একটি মহতী উদ্যোগ আশাব্যঞ্জক। পাঠাগার সমাজের দর্পণ, সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে এর গুরুত্ব অপরিসীম। এ সময় তিনি পাঠাগারের স্থায়িত্ব ও উন্নয়নে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পাঠাগারের উপদেষ্টা মাওলানা মোজ্জাফ্ফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সভাপতি ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া বন্ধন হাসপাতালের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শহীদুজ্জামান শহীদ এবং ‘এ্যালবাম’ সম্পাদক কবি মনজু রহমান।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাঘাটা উপজেলা শাখার মাওলানা মো. ইব্রাহীম হোসেন, বোনারপাড়া এম ইউ সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম বাদল এবং জেলা যুবদলের সহ-শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঘুড়িদহ ইউপি সদস্য জাকির হোসেন, সাংবাদিক মিজার রাঙ্গা, জয়নাল আবেদীন, আনোয়ার হোসেন রানা এবং কবি আবু তাহেরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পাঠাগারের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এর সহ-সভাপতি শামছুল কবীর সেলিম, নূর আলম মণ্ডল এবং আব্দুর রউফ।
প্রতিনিধি/আরএইচ