কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা ‘ডিপফেক’ বা বিকৃত কন্টেন্টের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর। নিজের অনুমতি ছাড়া অবয়ব ও পরিচয় ব্যবহার করে তৈরি করা যেকোনো কন্টেন্ট অনতিবিলম্বে বন্ধ না করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এই চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেন ম্রুণাল।
অভিনেত্রী মৃণাল ঠাকুর। ছবি: ফেসবুক
নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার কথা উল্লেখ না করলেও স্পষ্ট ভাষায় তিনি লেখেন, তার অবয়ব ব্যবহার করে ডিপফেক কন্টেন্ট তৈরি বা শেয়ার করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য।
এই ঘোষণাকে অবিলম্বে অপকর্ম বন্ধের আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন, পরবর্তীতে তার পরিচয়ের কোনো অপব্যবহার হলে তা সরাসরি আদালতের টেবিলে গড়াবে।
অভিনেত্রী মৃণাল ঠাকুর। ছবি: ফেসবুক
সম্প্রতি এআই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে ব্যক্তিত্ব ও পরিচয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে বলিউডের একাধিক প্রভাবশালী তারকা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
অনুমতি ছাড়া প্রযুক্তির এই অপপ্রয়োগে রাশ টানতে ইতোমধ্যে আইনি সুরক্ষার পথ বেছে নিয়েছেন অক্ষয় কুমার, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিনতা, কার্তিক আরিয়ান ও সুনীল শেঠির মতো জনপ্রিয় তারকারা।
এর আগে ডিপফেক প্রযুক্তির নির্মম শিকার হয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা।
প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া ছবি ও ভিডিও বানিয়ে নারীদের হেনস্তার কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি লিখেছিলেন, প্রযুক্তি যেখানে অগ্রগতির প্রতীক, সেখানে বিকৃতি ছড়াতে এর প্রয়োগ মানসিক অধঃপতনেরই প্রমাণ দেয়। সে সময় এ ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন তিনি। পরবর্তীতে রাশমিকার সেই বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে পুলিশ এক যুবককে গ্রেপ্তারও করে।
আহমেদ টাওয়ার ( লেবেল ১২),২৮ ও ৩০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ বনানী, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। শামীম প্রিন্টিং প্রেস, ১৯৪/৫ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত।