২০৩০ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের শতবর্ষী আসর আয়োজন করার কথা যৌথভাবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর। তবে স্পেনের পার্লামেন্টে আয়োজক হিসেবে মরক্কোর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্ষমতাসীন বামপন্থি জোটের তিনটি রাজনৈতিক দলের ডেপুটিরা স্পেন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন ফিফায় চিঠি লেখার। এ চিঠির বিষয়বস্তু হলো তিন দেশের যৌথ আয়োজনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা। মূলত মরক্কোকে আয়োজকের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্যই এ প্রচেষ্টা। তাদের এ প্রস্তাবে সম্মতি আছে পর্তুগিজ সরকারের।
বিশ্বকাপের মতো বিশাল একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে দেশটির অবকাঠামো সর্বাধুনিক করার গ্যারান্টি দিতে হয়। পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সে দেশের ইমেজও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে সঙ্গে মানবাধিকার, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের নির্বাচিত সরকার থাকতে হয়। স্পেনের ক্ষমতাসীন জোট সরকারকে ‘বিশেষভাবে স্বাগতিক দেশগুলোর মানবাধিকার খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে’।
মূলত কদিন আগে স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ভূখণ্ড সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে মানুষের ঢল নেমেছিল। যদিও পরে অধিকাংশ অভিবাসী মরক্কোতে ফিরে যান। এ ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়। স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে কেন্দ্র করে মরক্কোর মানব পাচারকারীরা ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ায় যে স্পেনে পৌঁছালেই থাকার সুযোগ মিলবে। এরপরই সেউতা সীমান্ত দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ হাজার মরোক্কান স্পেনে প্রবেশ করেন। একটি দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি কতটা খারাপ হলে মানুষ এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র সাঁতারে অন্য দেশে যাওয়ার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায়!
এ বিষয়টি সামনে এনে মরক্কোর মানবাধিকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছে স্পেনের রাজনৈতিক দলগুলো। পর্তুগালের ক্ষমতাসীন লিবরা পার্টিও একই অভিমত ব্যক্ত করেছে। পর্তুগাল সরকার ও পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের কাছে একই দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছে। যার অর্থ, ইউরোপের দুই আয়োজক স্পেন ও পর্তুগালের রাজনৈতিক দলগুলো ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজকের তালিকা থেকে মরক্কোকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এই বিতর্কের মাঝে আরেক ঘটনা ঘটিয়েছেন তোপের মুখে থাকা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। আগামী বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি মরক্কোকে পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই টোপের উদ্দেশ্য পরিষ্কার– কঠিন এ সময়ে মরক্কোর সমর্থন আদায়। যদিও ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে, সেটা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ফিফা। এমন প্রতিবেদন দেখে স্পেনের ক্রীড়ামন্ত্রী মিলাগ্রোস তুলুন আবার দাবি তুলেছেন, আগামী বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনের সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার স্পেন। ইব
মরক্কোকে বাদ দেওয়ার দাবি স্পেনের
২০৩০ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের শতবর্ষী আসর আয়োজন করার কথা যৌথভাবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর। তবে স্পেনের পার্লামেন্টে আয়োজক হিসেবে মরক্কোর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্ষমতাসীন বামপন্থি জোটের তিনটি রাজনৈতিক দলের ডেপুটিরা স্পেন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন ফিফায় চিঠি লেখার। এ চিঠির বিষয়বস্তু হলো তিন দেশের যৌথ আয়োজনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা। মূলত মরক্কোকে আয়োজকের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্যই এ প্রচেষ্টা। তাদের এ প্রস্তাবে সম্মতি আছে পর্তুগিজ সরকারের।
বিশ্বকাপের মতো বিশাল একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে দেশটির অবকাঠামো সর্বাধুনিক করার গ্যারান্টি দিতে হয়। পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সে দেশের ইমেজও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে সঙ্গে মানবাধিকার, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের নির্বাচিত সরকার থাকতে হয়। স্পেনের ক্ষমতাসীন জোট সরকারকে ‘বিশেষভাবে স্বাগতিক দেশগুলোর মানবাধিকার খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে’।
মূলত কদিন আগে স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ভূখণ্ড সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে মানুষের ঢল নেমেছিল। যদিও পরে অধিকাংশ অভিবাসী মরক্কোতে ফিরে যান। এ ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়। স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে কেন্দ্র করে মরক্কোর মানব পাচারকারীরা ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ায় যে স্পেনে পৌঁছালেই থাকার সুযোগ মিলবে। এরপরই সেউতা সীমান্ত দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ হাজার মরোক্কান স্পেনে প্রবেশ করেন। একটি দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি কতটা খারাপ হলে মানুষ এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র সাঁতারে অন্য দেশে যাওয়ার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায়!
এ বিষয়টি সামনে এনে মরক্কোর মানবাধিকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছে স্পেনের রাজনৈতিক দলগুলো। পর্তুগালের ক্ষমতাসীন লিবরা পার্টিও একই অভিমত ব্যক্ত করেছে। পর্তুগাল সরকার ও পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের কাছে একই দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছে। যার অর্থ, ইউরোপের দুই আয়োজক স্পেন ও পর্তুগালের রাজনৈতিক দলগুলো ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজকের তালিকা থেকে মরক্কোকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এই বিতর্কের মাঝে আরেক ঘটনা ঘটিয়েছেন তোপের মুখে থাকা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। আগামী বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি মরক্কোকে পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই টোপের উদ্দেশ্য পরিষ্কার– কঠিন এ সময়ে মরক্কোর সমর্থন আদায়। যদিও ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে, সেটা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ফিফা। এমন প্রতিবেদন দেখে স্পেনের ক্রীড়ামন্ত্রী মিলাগ্রোস তুলুন আবার দাবি তুলেছেন, আগামী বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনের সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার স্পেন।
দেশবার্তা/এমআর