১৮ বছরের ক্যারিয়ারে ৩৯টি ক্লাব বদল

স্পোর্টস ডেস্ক

খেলা

একজন ফুটবলার তাঁর পুরো ক্যারিয়ারে কতবার দল পরিবর্তন করতে পারেন? ১২টি ক্লাবে খেলে আলোচনার জন্ম দেওয়া নিকোলাস আনেলকার

2026-08-08T19:22:44+06:00
2026-08-08T19:22:44+06:00
রোববার ● ৯ আগস্ট ২০২৬,
২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

রোববার ● ৯ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
খেলা
অখ্যাত ফুটবলারের অদ্ভুত রেকর্ড
১৮ বছরের ক্যারিয়ারে ৩৯টি ক্লাব বদল
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২২ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
একজন ফুটবলার তাঁর পুরো ক্যারিয়ারে কতবার দল পরিবর্তন করতে পারেন? ১২টি ক্লাবে খেলে আলোচনার জন্ম দেওয়া নিকোলাস আনেলকার নাম হয়তো অনেকের মুখেই আসবে। তবে সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়ে ১৮ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারে অবিশ্বাস্যভাবে ৩৯টি ক্লাব বদলে রেকর্ড গড়েছেন ইংল্যান্ডের জেফ টমাস।

মূলধারার আলো ঝলমলে ফুটবলে পরিচিত মুখ না হলেও অনন্য এই কায়দায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন টমাস। প্রতিশ্রুতিময় শুরু সত্ত্বেও পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নটা সত্যি হয়নি তাঁর। এরপরই বেছে নেন তৃণমূল ফুটবলের এই বিচিত্র যাযাবর জীবন। কেবল ২০১৩-১৪ মৌসুমেই শেফিল্ড, মিকলওভার স্পোর্টস, স্কারবোরো অ্যাথলেটিক, ম্যাটলক টাউন ও গুলে নামের পাঁচটি ভিন্ন ক্লাবে সই করেন তিনি। 

২০১৬-১৭ মৌসুমেও চার ক্লাব ঘুরে পুনরায় পুরোনো ক্লাবেই ফিরে আসেন। তবে ২০২০ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ব্রাইটহাউস টাউনে কাটানো সময়টিই ছিল তাঁর পুরো ক্যারিয়ারের দীর্ঘতম অধ্যায়।

কতগুলো দল বা শহরে যে পা রেখেছেন, তার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান টমাসের নিজের কাছেও নেই। স্মিত হেসে টমাস জানান, এই সংখ্যা গুনে শেষ করার মতো নয়। তবে এই দীর্ঘ পথচলায় লেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জেতা জেমি ভার্ডির মুখোমুখি হওয়ার স্মৃতিটি তাঁর হৃদয়ে বিশেষ জায়গা জুড়ে আছে। 

স্টকসব্রিজ পার্ক স্টিলসের হয়ে খেলার সময় হ্যালিফ্যাক্স টাউনের তরুণ ফরোয়ার্ড ভার্ডির বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ভার্ডি পৌঁছান ফুটবলের সর্বোচ্চ চূড়ায়, আর টমাসের ঠিকানা থেকে যায় অলিগলির ফুটবলেই।

বারবার ক্লাব পরিবর্তনের মূল কারণ যে ‘অর্থ’, তা লুকানোর কোনো চেষ্টা করেননি টমাস। অকপটে স্বীকার করে তিনি জানান, স্রেফ বেশি পারিশ্রমিকের লোভেই এক ক্লাব ছেড়ে অন্য ক্লাবে গিয়েছেন। পাশাপাশি কোচের নির্দেশনা ঠিকঠাক না মানা এবং খেলার পর রিকভারি রান না দেওয়ার মতো অপেশাদার মনোভাবও তাঁর ক্যারিয়ার বড় হতে দেয়নি। তবে এই যাযাবর ফুটবল জীবন তাঁকে নানা কোচ ও ফুটবল সংস্কৃতির অনন্য শিক্ষা দিয়েছে।

বর্তমানে স্ত্রী মারি এবং দুই সন্তান জেরোম ও লুসিয়াকে নিয়ে ডিয়ার্ন অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট মাঠের কাছেই বাস করছেন টমাস। খাতা-কলমে এখনও খেলোয়াড় থাকলেও এখন ডাগআউটে দাঁড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বর্তমানে ডার্বি কাউন্টির অনূর্ধ্ব-১২ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি; যার অধীনে ২০২৫ সালে মাদ্রিদে আয়োজিত 'অরেঞ্জ ভেইনস টুর্নামেন্টে' চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি।

খুদে শিষ্যদের গাইড করতে গিয়ে নিজেকে মাঝেমধ্যে 'ভণ্ড' মনে হয় টমাসের। কারণ, যে অর্থের টানে তিনি একসময় ভুল পথে হেঁটেছেন, এখন তরুণদের ঠিক তার উল্টো পরামর্শ দিয়ে বলেন- আগে নিজের খেলাটায় মন দাও, অর্থ এমনিতেই আসবে। বড় মঞ্চে না পৌঁছালেও মাঠের সেই ভুলগুলোকেই এখন অভিজ্ঞতা বানিয়ে নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখাচ্ছেন এই ইংলিশ কোচ।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু
হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে: তদন্ত সংস্থা
চুরির অপবাদে দুই বোনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ২
পিউরো পেস্ট্রি অ্যান্ড বেকারির ১৬তম আউটলেট উদ্বোধন
১৮ বছরের ক্যারিয়ারে ৩৯টি ক্লাব বদল

সর্বাধিক পঠিত 

ডিসি পদ পেতে ৬৯ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগ
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পিরোজপুর জেলা কমিটি অনুমোদন
শুরুতে ১২০ টাকা পারিশ্রমিক পেতেন মারিয়া নূর
নাটোরে আবাসন ও চিকিৎসাসহ ট্যুরিজম হাব তৈরি করা হবে
সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় বাউল শিল্পী পেহেলী ভৈরবীর মৃত্যু
খেলা- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]