কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে পদ্মবিলে প্রকৃতির মোহনীয় সৌন্দর্য

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ

সারাদেশ

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদরের অদূরে দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের কাইনহা বিল এখন পদ্মফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে সেজেছে। বর্ষা ও শরৎ মৌসুমে

2026-08-27T14:00:58+06:00
2026-08-27T14:00:58+06:00
বৃহস্পতিবার ● ২৭ আগস্ট ২০২৬,
১২ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

বৃহস্পতিবার ● ২৭ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
সারাদেশ
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে পদ্মবিলে প্রকৃতির মোহনীয় সৌন্দর্য
বাড়ছে পর্যটকের ভিড়
ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদরের অদূরে দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের কাইনহা বিল এখন পদ্মফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে সেজেছে। বর্ষা ও শরৎ মৌসুমে বিস্তীর্ণ বিলজুড়ে ফুটে থাকা গোলাপি ও সাদা পদ্ম দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, যতদূর চোখ যায় সবুজ পদ্মপাতার ফাঁকে ফুটে আছে অসংখ্য গোলাপি পদ্ম। কোথাও কোথাও সাদা পদ্মও সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। পদ্মপাতার ওপর পানকৌড়ি ও ডাহুকের বিচরণ, ফুলের চারপাশে প্রজাপতি ও ভ্রমরের উড়াউড়ি পুরো বিলজুড়ে সৃষ্টি করেছে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।

পড়ন্ত বিকেলে দর্শনার্থীদের ভিড় আরও বেড়ে যায়। পদ্মবিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি গোধূলি লগ্নে ধলাবক, পানকৌড়ি ও গাঙচিলের ওড়াউড়ি দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর ধরে বর্ষাকালে প্রাকৃতিকভাবেই এ বিলে পদ্মফুল ফোটে। আগে স্থানীয়রা মূলত মাছ ধরার জন্য বিলে যেতেন। তবে গত ছয়-সাত বছরে পদ্মবিলকে ঘিরে পর্যটকদের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

দর্শনার্থীদের জন্য বিলপাড়ে রয়েছে কয়েকটি ডিঙিনৌকা। প্রতি নৌকায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা ভাড়ায় প্রায় এক ঘণ্টা বিল ঘুরে দেখা যায়। এতে স্থানীয় শতাধিক পরিবারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

ডিঙিনৌকার মাঝি আফতাব মিয়া বলেন, “পদ্মফুল দেখতে মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। প্রতিদিনই অনেক মানুষ নৌকায় ঘুরতে আসেন। এই আয় দিয়েই আমাদের সংসার চলে।”

দর্শনার্থী সাগর মিয়া, রমীশ বর্মন, এহসানুল হক ও মাহবুবুর রহমান বলেন, “মানুষের মুখে পদ্মবিলের কথা শুনে এখানে এসেছি। কাছ থেকে এত সুন্দর পদ্মফুল দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, পদ্মবিলকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য। এখানে দেশীয় প্রজাতির মাছের পাশাপাশি ধলাবক, পানকৌড়ি, শালিকসহ নানা ধরনের পাখির দেখা মেলে, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ।

তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বিকাশ রায় বলেন, “পদ্মফুল সাধারণত সাদা, গোলাপি বা হালকা গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। এর সৌন্দর্য ও সৌরভ মানুষকে আকৃষ্ট করে। লাল শাপলা ও পদ্মফুলের মধ্যে কিছুটা মিল থাকায় অনেকেই দুটি ফুল চিনতে ভুল করেন।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজনীয় পর্যটন সুবিধা ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে কাইনহা বিল দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রকৃতি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি লাভ করবে।

প্রতিনিধি/আরএইচ


সর্বশেষ সংবাদ 

বিয়ে হলে ভর্তি নেবে না হলি ক্রস কলেজ
সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের ৫ দিনের রিমান্ড
১৮ মাসে মধ্যে আমিনবাজারের ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
মোরেলগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩০০ গাছের চারা বিতরণ
এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে রিয়াল মাদ্রিদের জয়

সর্বাধিক পঠিত 

এক মাঠে মিলল স্বাস্থ্য-ভূমি-এনআইডিসহ সরকারি সব সেবা
জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র নবায়নে সময়সীমা বাড়লো
গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী
গাইবান্ধায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা সার জব্দ
মধুবালার রূপে হাজির হচ্ছেন সারা, চলছে কঠোর প্রস্তুতি
সারাদেশ- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]