বরগুনা জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২৫ সালে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, মেধার মূল্যায়ন আগামীর স্বপ্ন পূরণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলার ছয় উপজেলার ২২৬ জন শিক্ষার্থীকে এককালীন শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, শিশুর মেধাকে বিকশিত করতে প্রথমত পরিবারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এই বিকশিত ও অনবদ্য মেধাকে টিকিয়ে রাখতে হলে পরিবারের পরে প্রতিবেশি, শিক্ষক ও গোটা সমাজের দায়বদ্ধতা রয়েছে। কারণ আজকের শিশুটি আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আর ভবিষ্যৎ বখে যাবে, নিশ্চয়ই তা কেউ চায় না। সে জায়গা থেকেই আমরা চাই মাধ্যমিকেই যেনো থেমে না যায় মেধাবীরা।
তিনি আরও বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফলের পরে মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিশুদের পড়াশোনাকে সচল রাখতে এবং উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে পড়াশোনার জন্য আর্থিক সহায়তা হিসেবে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে আসছে জেলা পরিষদ। এটি মূলত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি জেলার মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিক্ষার হার বাড়ানো জেলা পরিষদ এর অন্যতম সামাজিক দায়িত্ব।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব তহবিল থেকে এ শিক্ষাবৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়েছে। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় গত ১ সেপ্টেম্বর জেলার ছয় উপজেলার ২২৬ জন মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে এই এককালীন বৃত্তি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) অরবিন্দ বিশ্বাস, বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. মতিউর রহমান, বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মাদ আবদুল মালেক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শিরিন আকতার।
দেশবার্তা/একে