আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে দারুণ সূচনার পরও প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়তে পারল না বাংলাদেশ। আবুধাবিতে প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান করা নাজমুল হোসেন শান্তর দল দ্বিতীয় দিন সকালে মাত্র ২৯ রান যোগ করতেই ৩৪৬ রানে অলআউট হয়ে গেছে।
প্রথম দিনের শুরুতে চালকের আসনে ছিল লাল-সবুজরা। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাদমান ইসলাম ১২৪ রানের শক্ত ভিত গড়ে দেন। বিশেষ করে তানজিদ টি-টোয়েন্টি মেজাজে ৭১ বলে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সেঞ্চুরি থেকে ১৭ রান দূরে থাকতে ইসমত আলমের বলে উইকেটরক্ষক ইকরাম আলিখিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আরেক ওপেনার সাদমান করেন ৬৭ রান।
প্রথম সেশনে ওভারপ্রতি ৫.১৫ রান তুলে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। একপর্যায়ে ২ উইকেটে রান ছিল ২২১। কিন্তু এরপরই বিপত্তি ঘটে- মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে হুট করেই পথ হারায় তারা। পরবর্তীতে টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা উইকেটে সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মুমিনুল হক ৩৯, অধিনায়ক শান্ত ২৯ এবং লিটন দাস ৫৩ রান করে আউট হন। অর্থাৎ, শেষ ৮ উইকেটে বাংলাদেশ যোগ করতে পেরেছে মাত্র ১২৫ রান।
আজ শনিবার দ্বিতীয় দিনে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। সকালে শেষ দুই উইকেটে আসা ৪১ রানের মধ্যে ৩৫ রানই আসে নাঈম হাসানের ব্যাট থেকে। তিনি ৬৭ বল খেলে এক প্রান্ত ধরে রেখে লড়াই করলেও অন্য প্রান্তে সঙ্গ পাননি।
দিনের শুরুতে নাঈম ও তাইজুল ইসলামের ৩০ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে আফগানদের সাফল্য এনে দেন মোহাম্মদ সেলিম সাফি। লেগ সাইডের শর্ট বল তাইজুলের গ্লাভসে লেগে উইকেটরক্ষকের হাতে চলে যায়। শেষ দিকে এবাদত হোসেনও দ্রুত বিদায় নিলে শেষ পর্যন্ত ৩৫ রানে অপরাজিত থেকে যান নাঈম। দ্বিতীয় দিনে মাত্র ৪৫ মিনিট ব্যাট করে বাকি ২টি উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানের বোলারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন মোহাম্মদ সেলিম সাফি। এ ছাড়া ইয়ামিন আহমদজাই ৩টি, ইসমত আলম ২টি এবং কাইস আহমদ ১টি উইকেট শিকার করেন।
দেশবার্তা/একে