টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়জীবনের শুরু শিশুশিল্পী হিসেবে। মাত্র ৮ বছর বয়সে স্বপন সাহা পরিচালিত ১৯৯৭ সালের ‘মায়ার বাঁধন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। ছবিতে তিনি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। একই ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে ছিলেন সোহম চক্রবর্তী, যিনি তখন ‘মাস্টার বিট্টু’ নামে পরিচিত ছিলেন।
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী জানিয়েছেন, শৈশবের সেই শুটিংয়ের দিনগুলোর স্মৃতি এখনো তার কাছে উজ্জ্বল। মা-বাবার সঙ্গে ইন্দ্রপুরী ও টেকনিশিয়ানস স্টুডিওতে শুটিংয়ে যেতেন তিনি। শুটিংয়ের ফাঁকে স্টুডিও চত্বরে খেলাধুলা, ঘুরে বেড়ানো এবং সহশিল্পীদের সঙ্গে সময় কাটিয়েই কেটে যেত দিনের বেশির ভাগ সময়।
শ্রাবন্তীর ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় টলিউডে শিল্পীদের জন্য আলাদা মেকআপ ভ্যানের প্রচলন ছিল না। একই মেকআপ রুমে একসঙ্গে বসতেন একাধিক শিল্পী। স্টুডিওর ধুলো-মাটির মধ্যেই কেটেছে তার শৈশবের শুটিংয়ের দিনগুলো।
বর্তমান সময়ের শিশুশিল্পীদের সঙ্গে নিজের ছোটবেলার তুলনাও করেছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, এখনকার শিশুশিল্পীরা অনেক বেশি পরিণত ও পেশাদার। তাদের সময়ে কাজের পাশাপাশি আনন্দ আর খেলাধুলাই ছিল সবচেয়ে বড় বিষয়।
শ্রাবন্তীর অভিনয়জীবনের অন্যতম স্মরণীয় বিষয় তার প্রথম পারিশ্রমিক। ‘মায়ার বাঁধন’-এ অভিনয় করে তিনি পেয়েছিলেন ১২ হাজার টাকা। সেই অর্থ দিয়ে বাড়িতে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। পাশাপাশি দাদুর জন্য জামাকাপড়ও কিনেছিলেন ছোট্ট শ্রাবন্তী।
দেশবার্তা/একে