পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি, পারস্পরিক আস্থা ও টেকসই উন্নয়নের কাজ করছে সরকার। দীর্ঘ সময় পর হলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তিনটি কমিটি গঠন করায় পাহাড়বাসীর প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব ও লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কংজপ্রু মারমা।
উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি সুধাঅং মারমা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থোয়াইলাপ্রু, জেলা মহিলা মারমা ঐক্য পরিষদের সভানেত্রী চাইঞাং মারমা, সদর উপজেলা সভাপতি মংখই মারমা, মারমা মহিলা ঐক্য পরিষদ সদর সভাপতি ম্রাচাই মারমা প্রমুখ।
বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন, নিরাপত্তা বিধান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, নির্বাহী কমিটি ও পরামর্শক কমিটি গঠনের উদ্যোগকে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের গঠনমূলক উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি গঠনের উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। এ গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তারা।
তারা বলেন, এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মতামত, অংশগ্রহণ ও ন্যায্য প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে—এটাই প্রত্যাশা পাহাড়বাসীর। উল্লেখিত কমিটির মাধ্যমে পাহাড়ে ভাষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, কর্মসংস্থান, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রতিনিধি/আরএইচ