ডক্টর এস এম জাকারিয়া শিপ মুভমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট'কে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চাকুরী বিধিমালা ১৯৯১ এর পদোন্নতির শর্ত ১৫(৪) ও ১৫(৫) মোতাবেক নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে না দিয়ে আর্থিকভাবে বঞ্চিত হয়রানি মানসিক নির্যাতন হচ্ছে। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ২০১৪ ও ২০১৬ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনের (SFI) অনুচ্ছেদ ৪ এর জবাব প্রদানে ০১-০১-২০২৫ তারিখে মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত পত্রে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গৃহীত হয় নাই।
পদোন্নতি না হওয়ার কারণে এ মর্মে অডিট আপত্তি হয়েছে। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিট বিভাগের গড়িমসি ও কর্তব্য কর্মে সদিচ্ছা না থাকায় অডিট আপত্তি অনিস্পন্য রয়েছে। মহাপরিচালক পরিবহন অডিট অধিদপ্তর থেকে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পত্র প্রেরণ করেছে। অবৈধভাবে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের গ্রহণকৃত অর্থের বিবরণী চেয়েছে। দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনকল্পে জাকারিয়ার অবসর পূর্ব পদোন্নতি ও ন্যায্য পাওনা পরিশোধের বিষয়ে দ্রুত নিষ্পত্তি না করে দীর্ঘ সুত্রীতার অবলম্বন করছে। পরিতাপের বিষয় মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্ম শাখা ও অডিট শাখা ১৫(৪) ও ১৫(৫) এর সম্যক ধারনা না থাকায় জাতির ইতিহাসে ও মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ইতিহাসে চরমভাবে ভুল করছে।
আরো উল্লেখ্য পদোন্নতির শর্ত ১৫(৪) ও ১৫(৫) এর অর্থের অপব্যাখ্যা জনিত কারণে অযোগ্য অদক্ষ ব্যক্তিদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে পদোন্নতি প্রাপ্তরা চাকুরী বিধিমালা লংঘন পূর্বক আর্থিক সুবিধা ভোগ করিয়া আসিতেছে। বলা বাহুল্য চাকুরী বিধি মালার পদোন্নতির শর্তের অর্থ ইংরেজিতে বা বাংলায় কোনটাই তাদের বোধগম্য নহে।
এ বিষয়ে ডঃ এসএম জাকারিয়া গত মাসে ১১-০৮-২৬ইং ও ১৫-০৮-২৬ তারিখে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব ও চেয়ারম্যান মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বরাবর পত্র দিয়েছে। অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত নির্দেশিকা ২০১৫ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রতিকারের নির্দেশ থাকলেও মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের আলস্য প্রবনতায় জাকারিয়া হয়রানীর শিকার। এখানে আরো উল্লেখ্য ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ঠা আগষ্ট পর্যন্ত চাকুরীতে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লেখিত সময়ে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আবেদন পর্যালোচনা পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
এখন প্রশ্ন জাগে অবৈধভাবে অধিকতর সুবিধা গ্রহণে এ অর্থের দায়ভার বহন করবে কে? ডক্টর এস এম জাকারিয়া বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, যার প্রজ্ঞা মেধা বাংলাদেশে বিরল। তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি। যে কথা যায়না বলা : মবক'এর কর্ম শাখা সিনিয়রিটি কাউন্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার আলোকে মেধা যাচাই না করে স্বাভাবিক বুদ্ধি দিয়ে মেধার বিশ্লেষণ, তাছাড়া অসাধারণ কৃতিত্ব ব্যক্তিদের পালা ডিঙ্গিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার বিধান সম্পর্কেও জ্ঞান নেই।
ফ্যাকাল্টি/কোর্স কনটেন্ট অফ স্টাডি সম্পর্কে ধারণা না থাকায় আর্টস ফ্যাকাল্টির ব্যক্তিবর্গও টেকনিক্যাল পদে পদোন্নতি, তফশিল ও নিয়োগ বিধি সম্পর্কে ধারণার প্রশ্নই তাদের কাছে ওঠে না। অর্থাৎ একঘেয়েমি, খাম খেয়ালীপনা ও মাথা পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।
দেশবার্তা/জেএ