কানাডার এক কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার নাম নার্গিস বেওয়া ওরফে সালমা আক্তার।
গতকাল রোববার সিআইডি জানায়, শনিবার রাতে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার নয়ানখাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নার্গিস আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃতর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগিকে কানাডার একটি কোম্পানিতে চাকরির জন্য পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে মোট ৩০ লাখ টাকার মৌখিক চুক্তি করেন গ্রেফতারকৃত নারী। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে বাদির কাছ থেকে ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৮৯০ টাকা এবং নগদ ও রকেটের মাধ্যমে আরও ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১০ টাকা; মোট ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা গ্রহণের পর অভিযুক্তরা কানাডায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে বাদীর কাছে হস্তান্তর করে।
পরবর্তীতে ওই কাগজপত্র নিয়ে কানাডা অ্যাম্বাসিতে যোগাযোগ করা হলে যাচাই-বাছাইয়ের পর সেগুলো ভুয়া বলে বাদিকে জানানো হয়। প্রতারণার ঘটনা বুঝতে পেরে ভুক্তভোগি কাফরুল থানার মামলা করেন। তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত নারীসহ চক্রের অপরাপর সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলো আসল হিসেবে ব্যবহার করে বাদির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি তার প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন। গ্রেফতারকৃত নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে।
দেশবার্তা/এমআর