বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মুক্তার হোসেন (মুক্তা মেম্বার)।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টায় মুক্তার হোসেনের বাড়ির উঠানে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, মাদক কারবার, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও মানিলন্ডারিং-সংক্রান্ত ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে।
তিনি বলেন, তিনি কখনো কোনো অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিপক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এবং তাঁর সামাজিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এ ধরনের চক্রান্ত চালিয়েছে।
মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে ১৬টি মামলার যে দাবি করা হয়েছে, তা তথ্যবিকৃতি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও স্থানীয় কোন্দলের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কিছু মামলা করা হয়েছিল, যার অধিকাংশই চারঘাট-বাঘা আসনের সাংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে এর বেশির ভাগ মামলায় তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন এবং বাকি মামলাগুলোতে জামিনে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কখনো কোনো হত্যা মামলা ছিল না বলেও তিনি দাবি করেন।
সম্পদ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চারঘাট এলাকায় তাঁর মৎস্য চাষের পুকুর ও কৃষিজমি রয়েছে, যা বৈধ আয় এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গড়ে তোলা। অবৈধ অর্থ উপার্জনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই এবং তাঁর বিপুল সম্পদের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ অতিরঞ্জিত।
তিনি আরও বলেন, তিনি কোনো অপরাধী নন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক থাকার তথ্যও সঠিক নয়। একজন আইনমান্যকারী নাগরিক হিসেবে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। নিরপেক্ষ তদন্ত ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশের ফলে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং এলাকার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/আরএইচ