দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে হিলি স্থলবন্দরের ১০ জন আমদানিকারক মোট ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার বিকেল থেকেই ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, অনুমতি পাওয়ার পরপরই এলসি (ঋণপত্র) খোলাসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সব কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দ্রুত ভারতীয় কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করবে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং কয়েক দিনের মধ্যে দাম কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম বলেন, বৈরী আবহাওয়া, টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দাম ৩০০ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। ভারতের বাজারে তুলনামূলক কম দামে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে। তাই বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানির অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। সরকার সেই অনুমতি দেওয়ায় এখন আমদানির প্রস্তুতি চলছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের ১০ জন আমদানিকারক ২ হাজার ৯০০ টন মরিচ আমদানির অনুমোদন পেয়েছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন হলেই তারা আমদানি করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ২০ নভেম্বর ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং ভোক্তারা মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশবার্তা/এসআইএস/একে