জুলাই হত্যাকান্ডের দুই মামলায় আদালতে হাজির হলেও জামিন পাননি চিত্রনায়ক রিয়াজ। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ।
রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা হয়। ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এই মামলায় রিয়াজ ছাড়াও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খানসহ ১৪ অভিনয়শিল্পীর নাম রয়েছে।
এ ছাড়া মামলায় ১৫ জন সাংবাদিক ও ১৩ জন শিক্ষকের নামও রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ও এটিএন নিউজের মুন্নী সাহা। শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুন।
এ ছাড়া ইমরান এইচ সরকার ও লাকী আক্তারকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অপর একটি হত্যা মামলাতেও রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ওই দুই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে আদালত তার আগাম জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।
দেশবার্তা/এমআর