সাক্ষাৎকারে নীহারিকা জানান, সামাজিক মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগেই তিনি পেশাদার অভিনয়কে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে কয়েক বছর আগে মুম্বাইয়ে নিজের পথচলা শুরু করেন তিনি।
তবে হিন্দি চলচ্চিত্রে নারীদের সৌন্দর্যের প্রচলিত মানদণ্ড এবং গায়ের রং কেন্দ্রিক প্রত্যাশার কারণে শুরুতেই চরম হতাশ হতে হয়েছিল তাঁকে। প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই বলয়ে নিজেকে না মানিয়ে পরে তিনি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে কাজের সিদ্ধান্ত নেন।
পরবর্তীতে দক্ষিণের বিখ্যাত নির্মাতা কার্তিক সুব্বারাজের প্রযোজনা সংস্থা ‘স্টোন বেঞ্চ ফিল্মস’-এর সঙ্গে তিনটি সিনেমার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন নীহারিকা। তবে চুক্তির শর্ত সাপেক্ষে একই সময়ে পাওয়া আরও কিছু কাজের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।
অভিনয় জীবনের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নীহারিকা জানান, দক্ষিণ ভারতীয় এক খ্যাতিমান পরিচালকের সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অডিশন, লুক টেস্ট এবং চুক্তি স্বাক্ষর চূড়ান্ত হয়েছিল। কিন্তু চুক্তিতে থাকা একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্য সংক্রান্ত শর্তে আপত্তি জানালে জটিলতা তৈরি হয়।
তিনি জানান, পর্দায় এ ধরনের দৃশ্যে তিনি মোটেই স্বচ্ছন্দ নন। প্রযোজনা সংস্থা তাঁর আপত্তিতে বডি ডাবল ব্যবহারের নমনীয়তা দেখালেও বাদ সাধেন ছবির প্রধান পুরুষ সহশিল্পী। উক্ত সহশিল্পী বডি ডাবলের সঙ্গে দৃশ্যটি ধারণে অসম্মতি জানালে নীহারিকাকে দৃশ্যটিতে সরাসরি অংশ নেওয়া অথবা সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর শর্ত দেওয়া হয়।
নীতিতে অটল থেকে শেষ পর্যন্ত সিনেমা প্রজেক্টটি থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে সরিয়ে নেন নীহারিকা। তবে পেশাদারিত্ব রক্ষার্থে সেই পরিচালক বা সহশিল্পীর পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি।